• সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩ পৌষ ১৪২৬  |   ২১ °সে
  • বেটা ভার্সন

কুটির শিল্পে ভোলার নারীদের নীরব বিপ্লব

  ভোলা প্রতিনিধি ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:৩৪

ভোলা
ছবি : দৈনিক অধিকার

ভোলার নারীরা কুটির শিল্পে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন। এখানকার নারীদের তৈরী হোগলা পাতার রশি দেশ ছাড়িয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। অস্বচ্ছল পরিবারের নারীরা এ রশি তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদল করেছেন। সংসারের অভাব দূর করে তারা এখন সাবলম্বী।

দিন দিন বাড়ছে কারিগরদের সংখ্যা। তাদের দেখে এখন অনেক নারীই ঝুকে পড়ছেন এ পেশায়। হোগলা পাতার রশি তৈরি করে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

ভোলার দুর্গম চরাঞ্চল ভেলুমিয়া, গজারিয়া ও চর চটকি মারা এলাকায় কৃষকদের চাষ করা ছাড়াও প্রকৃতিকগতভাবেই পাওয়া যাচ্ছে হোগলা পাতা। ওই পাতা সংগ্রহ করে রোদে শুকিয়ে নারীরা পেচিয়ে বিশেষ ধরনের রশি তৈরি করেন।

পাটের তৈরি জিনিসপত্র

ভোলার কারিগরদের দ্বারা তৈরিকৃত এসব রশি প্রতি সপ্তাহেই ঢাকায় বিক্রি করা হয়। সেখানে এ রশি দিয়েই তৈরি হয় ফুলদানী, সোফাসেট, ড্রেসিং টেবিল, মোড়া, চেয়ার, মাদুল, আমের ঝুড়িসহ বিভিন্ন ধরনের আসবাপপত্র। এ সকল আসবাপ পত্র অট্রোলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। 

নারীরা ১শ হাত রশি পাকিয়ে  (পেচিয়ে) পান ৭/১০ টাকা। একজন নারী দৈনিক ১২/১৩হাত রশি পাকান। একটি পরিবারের একাধিক নারী এ রশি তৈরি করেন। মাস শেষে তারা কয়েক হাজার টাকা পান। ঘরের কাজের ফাকে এ রশি তৈরি করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় অনেকে ঝুঁকে পড়েছেন এ পেশায়।

পণ্য তৈরির কাজে ব্যাস্ত নারীরা

ভোলার আলীনগর, ভেলুমিয়া ও চরসামাইয়া ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার নারী হোগলা পাতার রশি তৈরি করে ভাগ্য বদল করেছেন। ওই সকল এলাকার প্রায় প্রত্যেকটি পরিবারের নারী ও শিশুরা ঝুকে পড়েছেন রশি তৈরির কাজে।

এ ব্যাপারে কয়েকজন নারী কারিগর ও পুরুষ বেপারী বলেন, সরকারি-বেসরকারি সাহায্য-সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও ঋণ ব্যবস্থার অভাবে এ শিল্পটির প্রসার ঘটছে না। 
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: info@odhikar.news

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড