• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

কারসাজিতে বাড়ছে রমজাননির্ভর পণ্যের দাম 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ এপ্রিল ২০২০, ১০:০৪
রমজাননির্ভর পণ্য
রমজাননির্ভর পণ্যের দাম বাড়ছে (ছবি : সংগৃহীত)

করোনার অজুহাতে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাড়ছে রমজাননির্ভর পণ্যের দাম। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে রমজাননির্ভর পণ্য- ছোলা, সয়াবিন তেল, আদা, রসুন, চিনি ও মসুর ডাল।

সাত দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ছোলায় দাম বাড়ানো হয়েছে ৫-৭ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলে দাম বেড়েছে ৪ টাকা। প্রতি কেজি আদা ও রসুনে দাম বাড়ানো হয়েছে ১০-২০ টাকা। আর মাঝারি আকারের প্রতি কেজি মসুর ডালে দাম বাড়ানো হয়েছে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা।

ভোক্তারা বলছেন, করোনার প্রভাবে বাজারে ক্রেতা নেই। এজন্য সবজি, ডিমসহ একাধিক পণ্যের দাম কমেছে। সামনে রমজান, তাই ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে অতি মুনাফার লোভে দাম বাড়াতে শুরু করেছে।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে রমজাননির্ভর পণ্যের মজুদ পর্যাপ্ত। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় বেশি আছে। এছাড়া কারসাজি করে দাম যাতে না বাড়ে এজন্য সরকারের একাধিক সংস্থা বাজার তদারকি করছে। মাঠে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও কাজ করছেন।

ইতোমধ্যে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ভর্তুকি মূল্যে রমজাননির্ভর পণ্য বিক্রি শুরু করেছে। তারপরও সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী করোনার প্রভাবে সরবরাহে ঘাটতি দেখিয়ে অতি মুনাফার লোভে রমজাননির্ভর পণ্যের দাম বাড়াতে শুরু করেছে।

সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের জানান, বাজার ব্যবস্থাপনার দিকে সরকারের নজর রয়েছে। যখন যা প্রয়োজন তাই করা হবে। রোজা, শবেবরাত ও ঈদে সব ধরনের নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে, সেদিকে নজর রেখে সরবরাহ বাড়ানোরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অসাধু পন্থা নিলে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা, মজুদ, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর দেশে চিনির চাহিদা ১৮ লাখ টন। দেশে বর্তমানে সরবরাহ আছে ১৯ লাখ ৩৭ হাজার টন। সেক্ষেত্রে দেখা যায় পুরো বছরের চাহিদার তুলনায় দেশে বর্তমানে এক লাখ ৩৭ হাজার টন চিনি বেশি আছে।

আরও পড়ুন : নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ ঠিক রাখার নির্দেশ

এছাড়া বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২০ লাখ টন। এ পর্যন্ত মোট সরবরাহ ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টন। সেক্ষেত্রে দেখা যায় বর্তমানে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন ভোজ্যতেল চাহিদার তুলনায় বেশি আছে। প্রায় সব পণ্যই চাহিদার চেয়ে বেশি সরবরাহ আছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড