• মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

৫০০ কোটি টাকা উধাও, মুখ খুলছেন না সম্রাট

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:২৬
বিপুল টাকা রয়েছে সম্রাটের
ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট (ছবি : ফাইল ফটো)

ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করে বিপুল অর্থ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন গ্রেফতার ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তার কাছে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার অর্থ রয়েছে। তবে এই অর্থ কোথায় রেখেছেন জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুলছেন না সম্রাট।    

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর সম্রাট কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখান থেকে নগদ টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু কোথায়, কার কাছে রেখেছেন সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না সম্রাট।

জানা গেছে, সম্রাটের ক্যাশিয়ার ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি আরমান। তার কাছেই ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির টাকার বড় অংশ রাখতেন।   

এসব বিষয় নিয়ে র‍্যাব-১ এর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাদের। রমনা থানায় করা অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় সম্রাট ১০ দিন এবং তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমান দ্বিতীয় দফায় ৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। সম্রাটের টাকা সম্পর্কে ও আরমানের কর্মকাণ্ড জানতে গত সোমবার আরমানকে দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, সম্রাট কোথায় ও কার কাছে টাকা রেখেছেন, সে বিষয়ে আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ দিকে সম্রাটের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত মামলা করেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে সম্রাটের আরও সম্পদের তথ্য বের করতে ২৪টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে চিঠি পাঠাবে দুদক।  

দুদক সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত সম্রাটের ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার নথিপত্র পাওয়া গেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করলে কমিশন প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এজন্য সম্রাটের আরও সম্পদের তথ্য বের করার চেষ্টা চলছে।  

গত ৬ অক্টোবর ভোরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও সহসভাপতি আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতারের পর দুজনকেই যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়ায় আরমানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

অন্য দিকে সম্রাটের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই দিন দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায়। এই ভবনেই ছিল সম্রাটের কার্যালয়। সেখান থেকে ক্যাঙারুর চামড়া উদ্ধার করায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।  

ওডি/এআর 

অপরাধের সূত্রপাত কিংবা ভোগান্তির কথা জানাতে সরাসরি দৈনিক অধিকারকে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড