• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভেজাল হ্যান্ড স্যানিটাইজারে পানি মিশিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে যাত্রীদের! 

  অধিকার ডেস্ক

২৬ জুন ২০২০, ১৫:২৩
ভেজাল হ্যান্ড স্যানিটাইজারে পানি মিশিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে যাত্রীদের
ভেজাল হ্যান্ড স্যানিটাইজারে পানি মিশিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে যাত্রীদের

গণপরিবহনে শারীরিক দূরত্বের বিষয়টি কিছুটা মানা হলেও বাকিগুলোর খবর নেই! জীবাণুনাশকের নামে বাজারের ভেজাল হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং সেই বোতলেই পানির পর পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে! যাত্রীদের এভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলাকে রীতিমত প্রতারণা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে মালিকদের দাবি, সচেতন হতে হবে যাত্রীদেরও। 

দুই মাসের বেশি বন্ধ থাকার পর চলতি মাসের শুরুতে চালু হয় গণ-পরিবহন। স্বাস্থ্যবিধির বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়ে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে তা চলার অনুমতি দেয় সরকার। শুরুতে কিছুটা নিয়ম মানা হলেও সময়ের সঙ্গে তা ফিকে হয়ে আসে। কেবল প্রশাসন ও গণমাধ্যমের কাউকে দেখলে স্বাস্থ্যবিধি মানার অভিনয় চলে। বাকি সময়ের চিত্র তার উল্টো।
 
গন্তব্য শেষে গাড়িতে জীবাণুনাশক ছিটানোর কথা থাকলেও বেশিরভাগ সময় তা হয় না। গাড়িতে ওঠা-নামার সময় যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজ করার কথা থাকলেও অজুহাতেরও শেষ নেই। কোথা থেকে এসব কেনা হয়? কী আছে এতে? এমন প্রশ্নের উত্তরে, যেকেউ আঁতকে উঠতে পারেন। একে তো নকল তার ওপর পানি মেশানো।
 
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তদারকি না থাকায় নিয়ম ভাঙ্গাটা পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিআরটিএ বলছে নিয়ম না মানলে ব্যবস্থা নেবে পরিবহন মালিক সমিতি।

এআরসির যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, নিম্নমানের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা হচ্ছে। গণপরিবহন থেকে করোনা সংক্রমণের যে ঝুঁকি সেটা কিন্তু অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে। 

বিআরটিএ' এর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, সরকারের দেয়া স্বাস্থ্য বিধি অনুস্মরণ করেই সঠিক স্যানিটাইজার ব্যবহার করার নির্দেশনা দিয়েছি। মালিকদের বলা আছে তারা যেন নিশ্চিত করেন। 
অথচ মালিক সমিতি দায়িত্ব ঠেলে দিচ্ছেন সরকারি ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন,  সারাক্ষণ স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে তো পারবে না। সারাদিন যদি গাড়ি চলে সেক্ষেত্রে কতদিন ব্যবহার করবে। আর এখন তো নকল স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে যাত্রীদের সচেতন হতে হবে। আর মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করছেন তাদের ভালোভাবে বিষয়টা দেখা উচিৎ। 

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্ব এড়ানোর এমন প্রবণতা যাত্রীদের সঙ্গে ‘স্রেফ প্রতারণা’। বিআরটিএ’র নীরব ভূমিকা যাকে সমর্থন করছেন।

ওডি

অপরাধের সূত্রপাত কিংবা ভোগান্তির কথা জানাতে সরাসরি দৈনিক অধিকারকে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড