• বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

ক্যাসিনোর মালিক যুবলীগ নেতা খালেদসহ আটক ১৪২  ||বিমানের উন্নতির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টার প্রতিশ্রুতি মোকাব্বিরের ||আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ  ||সৌদিতে হামলার সঙ্গে ইরান জড়িত নয় : জাপান||পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ, যা বললেন আবদুল মোমেন||ছাত্রদলের কাউন্সিলরদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছেন তারেক||হংকংয়ে শান্তি ফেরাতে আবারও সংলাপ চান ক্যারি ল্যাম||বাংলাদেশে মানুষ পাঠানোর ষড়যন্ত্র করছে ভারত : মওদুদ||জাতিসংঘে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বের জোরালো ভূমিকা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী ||ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি নারীর নির্মম মৃত্যু (ভিডিও)

৬ অক্টোবর স্কুলছাত্রী সুরাইয়া হত্যার রায়ের দিন ধার্য

  অধিকার ডেস্ক

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:৪০
স্কুলছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা
স্কুলছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা (ছবি : সংগৃহীত)

২০১৬ সালে সংঘঠিত রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ করেছেন আদালত। আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ অক্টোবর আদালত দিন ধার্য করেছেন। 

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইমরুল কায়েস এই দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল বলেন, এই মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষ থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। আদালত আগামী ৬ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আদালতের কাছে এই হত্যা মামলার একমাত্র আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ বলেন,  ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল সুরাইয়া আক্তার হত্যা মামলার একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু করেন আদালত। আসামিপক্ষ থেকে এই মামলায় আদালতের কাছে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলার আসামি ওবায়দুল খানকে বুধবার কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট ওবায়দুল খানের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয় রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট তার মৃত্যু হয়।

মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরীক্ষা শেষে স্কুল থেকে বেরিয়ে সুরাইয়া রাস্তার ওপারে যাওয়ার জন্য পদচারী-সেতুতে ওঠে। সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছালে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। সুরাইয়ার চিৎকারে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও কয়েকজন অভিভাবক ছুটে আসেন। এরপর তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার দিন হাসপাতালে সুরাইয়ার মা জানিয়েছিলেন, তিনি ও তার মেয়ে ইস্টার্ণ মল্লিকা মার্কেটের একটি দরজির দোকান থেকে সালোয়ার-কামিজ বানাতেন। যোগাযোগের জন্য তার মুঠোফোন নম্বর রেখেছিলেন ওই দোকানের কর্মচারীরা। ওই নম্বরে ফোন করে দোকানের কর্মচারী ওবায়দুল তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ করে দেন। এরপর থেকে তার মেয়েকে ওবায়দুল স্কুলের সামনে উত্ত্যক্ত করতো। এ ঘটনায় একপর্যায়ে তিনি বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। 

পরে সুরাইয়া ওবায়দুল খানের ছুরিকাঘাতে মারা গেলে এটি হত্যা মামলায় পরিণত হয়। এরপর একই বছরের ৩১ আগস্ট নীলফামারী থেকে আসামি ওবায়দুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সুরাইয়াকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দেয় সে। পরে ওই বছরের ১৪ নভেম্বর রমনা থানার পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়।

ওডি/ এফইউ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড