• মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু

মিজান-বাছির
দুদকের সদ্য বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজানুর রহমান। (ছবি : সংগৃহীত)

পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদ্য বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিরাট অংকের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। যার প্রেক্ষিতে আদালতে এ সংক্রান্ত দায়েরকৃত এক মামলায় এরই মধ্যে তদন্তে নেমেছে দুদক।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার সঙ্গে তদন্ত দলে যুক্ত করা হয় দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান ও মো. সালাহউদ্দিনকে।

দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই কর্মকর্তারা দুদকের সদ্য বরখাস্ত পরিচালক বাছিরকে গ্রেফতারে কাজ শুরু করেন। যার অংশ হিসেবে তারা বাছিরের শাহজাহানপুরের সরকারি বাসায় অভিযান চালালে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুদক থেকে ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মোট ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কর্মকর্তাদের আগামী ২৮ আগস্ট পর্যন্ত দিন ধার্য করে দেন আদালত। মামলাটি দায়েরের পরপরই এজাহারের কপি আদালতে পাঠানো হয়।

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ দুদকের এই এজাহার দেখে তা তাৎক্ষণিক গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ওই দিন (২৮ আগস্ট) ধার্য করেন। তাছাড়া ডিআইজি মিজানকে ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য নিজেদের আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

মূলত সেই আবেদনের ভিত্তিতে কারাগার থেকে মিজানকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। যার প্রেক্ষিতে আগামী ২১ জুলাই এ মামলায় তাকে গ্রেফতার সংক্রান্ত শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

এ দিকে দুদকের সদ্য বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের সকল ব্যাংক হিসাব চেয়ে দুদক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর যে আবেদন করা হয়েছিল এরই মধ্যে তারও জবাব চলে এসেছে। তবে তার কোনো ব্যাংক হিসাবেই এখনো তেমন কোনো অর্থের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাছাড়া সেলারি অ্যাকাউন্টে ব্যাংকিং লেনদেনের বাইরে তার কোনো ধরনের অর্থ লেনদেনের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। 

দীর্ঘদিন যাবত তিনি থাকেন সরকারি একটি বাসায়। স্ত্রী চাকরি করেন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। তিন সন্তানের মধ্যে দুজন পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ে, ছেলে ছোট। চাকরি জীবনের ২৭ বছরে বাছিরের উল্লেখ যোগ্য কোনো বড় তদন্ত নেই। বেশিরভাগ সময় তিনি কাটিয়েছেন ডেস্কের দায়িত্বে।

আরও পড়ুন :- ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা

যদিও পরিচালকদের মধ্যে তিনিই সিনিয়র। তবে মহাপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি না পাওয়ায় এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে একটি রিটও করেছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড