• রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মানবতাবিরোধী অপরাধ : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কায়সারের আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:৫৭
কায়সার
পুলিশ সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে ধরে গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে (ছবি : সংগৃহীত)

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা ও সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের খালাস চেয়ে করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানির পর আগামী ১৪ জানুয়ারি রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে সৈয়দ কায়সারের পক্ষে শুনানি করেন এসএম শাহজাহান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে ১০ জুন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে সৈয়দ কায়সারের শুনানি শুরু হয়। আদালতে সৈয়দ কায়সারের পক্ষে শুনানি করেন এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

সৈয়দ কায়সারের পক্ষে মামলার পেপারবুক থেকে পড়া শুরু করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। পরে অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেছেন আদালত।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ‘কায়সার বাহিনী’ গঠন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে জেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের নেতৃত্ব দেন তৎকালীন মুসলিম লীগের এ নেতা। এই দুই জেলায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সৈয়দ কায়সারকে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় সৈয়দ কায়সারের পক্ষে আপিল দায়ের করা হয়। আপিলে খালাসের আরজিতে ৫৬টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া ৫০ পৃষ্ঠার মূল আপিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত রয়েছে।

গণহত্যা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুন্ঠনের ১৩টি ও ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আনা হয়। এর মধ্যে ১৪টি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে। তার মধ্যে ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া ১, ৯, ১৩ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর, ৭ নম্বরে সাত বছর এবং ১১ নম্বরে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৪ ও ১৫ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগগুলোতে কোনো সাজা দেননি আদালত।

ওডি/টিএএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড