• মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বড়পুকুরিয়া কয়লা দুর্নীতি : সাবেক এমডিসহ ৩ জন কারাগারে

  দিনাজপুর প্রতিনিধি

১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:৪৮
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি
কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদ (ছবি : দৈনিক অধিকার)

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৮ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ দিকে আদালত বাকি ২০ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন। 

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদসহ ৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। 

বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজ আহমদ ভুঞা এই আদেশ প্রদান করেন। 

এর আগে সাত ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বাদী ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শেষে বিচারক ওই আদেশ দেন। জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশভুক্ত অন্য দুইজন হলেন- সাবেক মহাব্যবস্থাপক আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী ও উপমহাব্যবস্থাপক এ কে এম খাদেমুল ইসলাম।  

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) একই আদালতের বিচারক এই চাঞ্চল্যকর মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। পরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক মামলার অভিযোগপত্রের তালিকাভুক্ত বড়পুকুরিয়ার সাবেক সাত এমডিসহ ২৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ প্রদান করেন। এছাড়াও তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন মোতাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আদেশ প্রদান করেছেন। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৮ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে। যার আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় এবং কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। কয়লা গায়েবের ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আনিসুর রহমান বাদী হয়ে গত বছর ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন। 

মামলাটি দুদকের তফশীলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে মামলাটি দুদকের উপপরিচালক সামসুল আলম তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তদন্ত করেন। গত ২৪ জুলাই মামলাটির অভিযোগপত্র আদালতে প্রদান করা হয়। আসামিরা আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে তদন্তে পাওয়া গেছে বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়। এই অভিযোগপত্রে এজাহার নামীয় ছাড়াও নয়জনকে যুক্ত করা হয় এবং তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকায় পাঁচজনকে আসামি থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়। 

ওডি/এএসএল

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড