• মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

গড়গড় করে ভয়ানক বর্ণনা বাবা-চাচার

  সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

১৫ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩৩
তুহিন
নিহত শিশু তুহিন (ছবি : সংগৃহীত)

মধ্য যুগের বর্বরতাকেও অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ড। নৃশংস এ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তুহিনের বাবা আবদুল বাছির (৪০), চাচা নাসির মিয়া (৩৪) ও আবদুল মছব্বির (৪৫), বাছিরের ভাতিজা শাহরিয়ার (১৭), প্রতিবেশী জমসের আলী (৫০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে ফেলা ও পেটে ছুরি ঢোকানোর ভয়ানক বর্ণনা দেন তারা। কিন্তু এমন লোমহর্ষক বর্ণনা শুনতেও কষ্ট হচ্ছিল আদালতে উপস্থিত বিচারক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের!

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ জেলার নিম্ন আদালতে আসামিরা এ জবানবন্দি দেন। শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বাবা বাছির, চাচা নাসির ও শাহরিয়ার। এ তিনজনকে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে শিশু তুহিনের মা মোসা. মনিরার মামলায় পুলিশ তিনজনকে সুনামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে। তাদের প্রত্যেকের ৫ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রত্যেক শিশুর জন্য দুনিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হচ্ছে তার বাবার কোল। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে শিশু তুহিন তার বাবার কোলেই খুন হয়েছে। হত্যার পর শিশুর শরীরের নানা অঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়; দুইটি ছুরি শিশুটির পেটে ঢোকানো হয়েছে। এরপর তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলানো হয়েছে।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় মামলা চলছিল আবদুল বাছিরের পরিবারের। ওই মামলায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য শিশু তুহিনকে হত্যা করা হয়।

ওডি/এমআর

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড