• শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইউএনওকে ফোন; আপনার বদলি ঠেকিয়েছি, টাকা দেন

  বরগুনা প্রতিনিধি

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:০৭
ইউএনওকে ফোন
(ছবি : প্রতীকী)

বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীনের কাছে মোবাইল ফোনে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দেওয়া সোহেল রানা নামের ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনওকে বদলির আদেশ দিয়েছেন আর তিনি তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন। 

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে থাকাকালীন এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীনের কাছে দুপুর সোয়া ১২ টার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে সোহেল রানা নামে একজন ফোন করেন। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনওকে বদলির আদেশ দিয়েছেন। ওই বদলির আদেশ তিনি ঠেকিয়ে দিয়েছেন। বদলি ঠেকানোর কারণে তিনি ইউএনওর কাছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১০ টাকা দাবি করেন। 

এ ঘটনার তিন মিনিট পরে ওই এপিএস ইউএনওর কাছে একটি বিকাশ নম্বর দেন। ওই সময়ে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ইউএনওর কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। 

ইউএনওর মুঠোফোনটি ওসি (তদন্ত) কাছে দিলে তিনি ওই কথিত এপিএস সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলার কিছুক্ষণ পরে সে ফোনের লাইনটি কেটে দেয়। ওই সময় থেকে তার মোবাইল এবং বিকাশ নম্বর বন্ধ রয়েছে। 

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিন্ত্রী বলেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে দেওয়া সোহেল রানার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি মুঠোফোনে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ইউএনওর কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন। কথিত এপিএসর মুঠোফোন নম্বর ও বিকাশ নম্বর এনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন দৈনিক অধিকার প্রতিনিধিকে জানান, সোহেল রানা নামে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে আমাকে ফোন দেন। তারপর তিনি বলেন, ‘আপনাকে এলাকার কেউ ভালো জানে না, সকলেই অসন্তুষ্ট। তাই  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আপনাকে বদলির আদেশ দিয়েছেন। ওই বদলির আদেশ আমি ঠেকিয়েছি এজন্য আমাকে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা দেন।’ পরে সে একটি বিকাশ নম্বর দেয়। 

মনিরা পারভীন বলেন, আমি তখনই বুজেছি এটা কোনো প্রতারক চক্র। কথিত এপিএসর মুঠোফোন নম্বর ও বিকাশ নম্বর পুলিশেকে দেওয়া হয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ  মো. আবুল বাশার  বলেন, এ বিষয়ে আমাকে ইউএনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। শুধু মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে মোবাইল নম্বর দুটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

ওডি/ এফইউ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড