• মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

মুকসুদপুরে তালাবদ্ধ ঘরে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

২৫ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৫১
গোপালগঞ্জ
জেলার ম্যাপ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার ভাবরাশুর গ্রামের আশরাফ মীরের একটি তালাবদ্ধ ঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভাইদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। এতে প্রায় ১শ মণ ধান নষ্টসহ ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাবড়াশুর ইউপি চেয়ারম্যান রিফাতুল আলম মুছা জানান, ভাবরাশুর গ্রামের মৃত মুনসুর আলী ছেলে আশরাফ আলীর তালাবন্ধ একটি টিনেসেড ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পাড়ার মুসল্লিরা ফজরের নামাজ পড়তে এসে মাইকে খবর দিলে এলকাবাসী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

তিনি আরও জানান, ওই বাড়িতে মৃত মুনসুর আলীর দুই ছেলে আশরাফ আলীর ও সৈয়দ আলীর মধ্যে পৈত্রিক জমির বিরোধ থাকায় আশরাফ আলী অংশ ওই গ্রামের টুটুল গংদের কাছে ২৬ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে কিন্তু দুই ভাইয়ের বিরোধের কারণে টিসসেড ঘরসহ জমির ক্রেতার দখল পজিশন বুঝে না পাওয়ায় তিন মাস আগে উভয়পক্ষ থেকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় ঘরটি।  

বাড়ির মালিক আশরাফ আলীর ছেলে জিন্নাত আলী মীর জানান, অগ্নিকাণ্ডে ওই ঘরের মধ্যে ১শ মণ ধান পুড়ে নষ্ট হওয়াসহ বসবাসের আসবাবপত্র পুড়ে ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। 

মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ম্যানেজার রাজীব হোসেন জানান রবিবার ভোর রাতে উপজেলার ভাবরাশুর গ্রামের আশরাফ মীরের একটি তালাবদ্ধ ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল বোয়ালিয়া বাজার পর্যন্ত গেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল পাশা জানান, ওই বাড়ির ঘর-জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় বেশকিছুদিন ধরে ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ওডি/ এফইউ


 

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড