• বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

জমি বিক্রি করায় অবরুদ্ধ এক পরিবার 

  নড়াইল প্রতিনিধি

১৭ আগস্ট ২০১৯, ১৯:৪৮
বাঁশের বেড়া
বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘরের তিন পাশে ঘিরে ফেলা হয়েছে (ছবি- দৈনিক অধিকার)

নড়াইলের লোহাগড়ার কুচিয়াবাড়ী গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘরের তিন পাশে ঘিরে ফেলা হয়েছে। 

ভূক্তভোগী লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ী গ্রামের তরিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ২৪ বছর ধরে নিজ বসতভিটায় বসবাস করছেন তিনি। মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। তার বসতভিটায় প্রায় ৩০ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতক নিজের কেনা জমি এবং পাঁচ শতক মায়ের সূত্রে পাওয়া জমি। 

পৈতৃকভিটা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার কামারগ্রামে বসবাস করার জন্য তরিকুল লোহাগড়ার তালবাড়িয়া গ্রামের জহিরসহ তার তিন ভাইয়ের কাছে প্রায় ৩০ শতক জমি বিক্রি করেন। ভূমি অফিসে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাচাই শেষে গত ৩১ জুলাই ওই জমি লোহাগড়ার লক্ষীপাশা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করা হয়। এছাড়া গত ৮ আগস্ট বিলের মাঝে থাকা প্রায় ২১ শতক জমি তরিকুলের প্রতিবেশী শিমুল মোল্লা ক্রয় করেন। জমি বেচাকেনার এ বিষয়টি তরিকুলের মামা পাশের ঝিকড়া গ্রামের হাফিজার রহমান জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন। 

এ ঘটনায় হাফিজার শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে তরিকুলের ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া হাফিজার রহমান জমির ক্রেতাদের জমিতে আসতে দিবেন না বলেও হুমকি দেন।

এ ব্যাপারে তরিকুল ইসলাম বলেন, মায়ের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে লোহাগড়ার কুচিয়াবাড়ির জমিতে বসবাস করছি। আর বাবা থাকেন ফরিদপুরের বাড়িতে। তিনি মাঝে-মধ্যে আমাদের খোঁজখবর নেন। এখন বাবার নিজের বাড়ি ফরিদপুরের কামারগ্রামে বসবাস করার উদ্দেশ্যে কুচিয়াবাড়ীর জমি বিক্রি করেছি। অথচ আমার মামা ঝিকড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান আমাদের পরিবারকে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ঘরের তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। জমির ক্রেতাকেও জমিতে আসতে দিচ্ছেন না হাফিজুর 

তরিকুলের মা বলেন, আমি এবং আমার ছেলে, বেটার বউ ও দুই পুতনি ঘর থেকে বের হতে পারছি না। বৈধ জমি বিক্রির পরও আমরা হুমকির মধ্যে আছি। 

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান বলেন, পৈতৃকসূত্রে ওই জমিতে আমার অংশ রয়েছে। তাই আমি বেড়া দিয়েছি। 

লোহাগড়া থানার ওসি মো. মোকাররম হোসেন জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

ওডি/এসএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড