• বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ

  রিয়াদ হোসাইন, মুন্সীগঞ্জ

১০ আগস্ট ২০১৯, ১৩:২০
শিমুলিয়া নৌপথ
শিমুলিয়া নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ভিড় ( ছবি : দৈনিক অধিকার )

স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী। জীবিকার প্রয়োজনে ইট-পাথরের শহরে আবাস গড়লেও রাজধানীবাসীর মন পড়ে থাকে গ্রাম্য প্রকৃতিতে গড়া নিজ আবসস্থল গ্রামের বাড়িতে। তাই যেকোনো উৎসবে গ্রাম-বাড়িতে না গেলে অসম্পন্ন থেকে যায় উৎসবের আমেজ । 

শনিবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ২৩ জেলার মানুষের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া চাপ দেখা গেছে। ভোরে শিমুলিয়া প্রান্তে গাড়ির চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে। ঘাটে দুই শতাধিক ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস ও ছোট ছোট যানবাহন মিলে প্রায় ৪ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

বিআইডব্লিউটিসি মাওয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। এর মধ্যে চারটি রো রো, চারটি কে-টাইপ, দুটি মাঝারি, ছয়টি ডাম্প ও একটি ছোট ফেরি চলাচল করছে। অন্যদিকে শতাধিক স্পিডবোট ও ৮৮টি লঞ্চ দিয়ে পারাপার হচ্ছে বাড়ি ফেরা মানুষ।

এদিকে মলমপাটি, ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে শিমুলিয়াঘাটে পুলিশ, আনসার, র‌্যাবসহ প্রায় ৪ শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্টের জন্য সার্বোক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। এছাড়াও যাত্রীদের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ স্কাউটস মুন্সীগঞ্জ জেলা রোভার।

জেলা রোভারের সম্পাদক মো. জুনায়েদ জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে সেই লক্ষ্যে বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ স্কাউটস মুন্সীগঞ্জ জেলা রোভার। এতে রোভার স্কাউটের সেবায় যাত্রীরা খুশি হচ্ছেন এবং তাদের পজিটেভ মনোভাব লক্ষ্য করা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএর মাওয়া সহকারী পরিচালক শাহাদাত হোসেন জানান, গত কয়েকদিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় গতকাল থেকে যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৮৮টি লঞ্চে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। তবে ভাড়া ও যাত্রী বেশি নেওয়ার কোনো অভিযোগ নেই। 

বিআইডব্লিউটিসির এজিএম (মেরিন) একেএম শাহজাহান জানান, ড্রেজিং পয়েন্টের চ্যানেল সরু এবং ড্রেজিং কাজ চলায় রাতে ৪-৬টি ডাম্ব ফেরি (টানা ফেরি) বন্ধ রাখতে হয়। এই কারণে সকাল পর্যন্ত গাড়ির চাপ কিছুটা থাকে। এরপর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ কমে যায়। দিনের বেলায় শিমুলিয়াঘাটে ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখা হয়। তবে, গরুবাহী ও পচনশীল কিছু ট্রাক পারাপার করা হয়ে থাকে।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সিরাজদিখান সার্কেল) মো. রাজিবুল ইসলাম জানান, ঘাটে সকালে যাত্রীর চাপ ছিল। তবে এখন কমতে শুরু করেছে। ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও স্পীডবোট ঘাটে আমাদের পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। বাসে ভাড়া বেশি নেওয়াসহ কোন প্রকার অনিয়মের অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। কোন প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওডি/এসএএফ 

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড