• রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বন্যায় ১২শ কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি 

  রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা

১০ আগস্ট ২০১৯, ১৩:৪৩
বন্যা
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি সড়ক (ছবি : দৈনিক অধিকার)

দুই দিন পরেই কুরবানি ঈদ। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে গাইবান্ধার মানুষগুলো। শনিবার (১০ আগস্ট) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বন্যায় জেলার সাতটি উপজেলা ও একটি পৌরসভার যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। পাল্টে গেছে সকড়গুলোর প্রকৃত চিত্র। জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১২শ ১৫ কিলোমিটার কাচা-পাকা সড়কসহ ৬২টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ডুবে আছে জেলার ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ পাকা-কাচা সড়ক। 

বন্যার পানি নেমে যাওয়াতেই জেগে উঠেছে সড়কের ধংসযজ্ঞ। পানির প্রবল স্রোতের কারণে ইট-পাথর-খোয়া উঠে গিয়ে পরিণত হয়েছে ছোট-বড় অনেক খাল। কোথাও কোথাও সড়ক ভেঙে পরিণত হয়েছে ডোবায়। ফলে জেলার ঘরমুখো যাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

এভাবেই ভাঙা সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা (ছবি : দৈনিক অধিকার)

ভুক্তভোগী জোব্বার জানান, তিনি অটোরিকশা চালান। বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ভেঙে যাওয়ায় তিনি যাত্রীদের নিয়ে গাড়ি চালাতে পারছেন না। এ সময় যাত্রীদের আনা-নেওয়াতে অনেক কষ্ট হয় বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বন্যায় এলজিইডির ৩শ ৫০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ২১টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাড়ে ৬ কিলোমিটার মহাসড়কসহ ৩২ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ২টি কালভার্ট এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ৮শ ৩৩ কিলোমিটার কাঁচা-পাকা রাস্তাসহ ৩৯টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫০ কিলোমিটার এবং সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রক্ষপুত্র, ঘাঘট, বাঙ্গালী ও আলাই নদীর দেড় কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ভেঙে গেছে এসব নদী রক্ষা বাঁধের ৩২টি পয়েন্ট। বন্যায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ধসে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাঁধের ভাঙা অংশগুলো দিয়ে পানি প্রবেশ করছে নিম্ন এলাকাগুলোতে। এখন পর্যন্ত অনেক রাস্তা পানির নিচে ডুবে রয়েছে। 

এ দিকে পানি নেমে গেলে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও ব্রিজ কালভার্টগুলো পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান, এলজিইডির সিনিয়র প্রকৌশলী মো. আহসান কবির।

ওডি/আইএইচএন

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড