• শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

বেনাপোল স্থলবন্দরে বেড়েছে রাজস্ব আয়

  বেনাপোল প্রতিনিধি, যশোর

১০ আগস্ট ২০১৯, ১০:৫৮
স্থলবন্দর
বেনাপোল স্থলবন্দর (ছবি : দৈনিক অধিকার)

আর মাত্র একদিন পর পবিত্র ঈদুল আজহা। এবার ঈদের ছুটির আগে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে বেড়েছে পণ্য খালাসের ব্যস্ততা। এতে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে দ্বিগুণ। 

শনিবার (১০ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত তিনদিনে অন্তত ৬০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। বন্দরে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পণ্য খালাসকারী শ্রমিক ও পরিবহনকারী ট্রাক শ্রমিকদের মধ্যেও ব্যস্ততা চোখে পড়ে। ঈদের আগে যেখানে তাদের সর্বোচ্চ একটা থেকে দুইটা চালান পরিবহনের কাজ পেতো। এখন তারা ১০টির বেশি পাচ্ছেন। আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের চোখে-মুখেও খুশির ঝলক দেখা গেছে।

এবার ঈদের আগে ও পরে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ ছুটির মধ্যে পড়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা আগাম পণ্য খালাস করে রাখছেন। খালাস হওয়া পণ্যের মধ্যে বেশি রয়েছে শিল্প কারখানার কাঁচামাল ও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য।

রাজস্ব আহরণকারী বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক রাকিবুল হাসান বলেন, এবার ঈদে টানা বন্ধ থাকার কারণে কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় অনেক ব্যবসায়ী আগাম পণ্য খালাস করছেন। গত তিনদিনে খালাস হওয়া আমদানি পণ্য থেকে প্রায় ৬০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক মনির মজুমদার বলেন, ব্যবসায়ীদের দ্রুত পণ্য খালাস দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) প্রদোষ কান্তি দাস জানান, এখন পর্যন্ত সরকারি ছুটির কোনো নির্দেশনা পাননি তারা। আমদানি পণ্যের সরবরাহ সচল রাখতে বন্দরের কার্যক্রম সপ্তাহে ছয় দিনে ২৪ ঘণ্টা চলমান রয়েছে। ব্যবসায়ীরা চাইলে পণ্য খালাস করতে পারবেন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

ওডি/এসজেএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড