• বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভারতীয় গরুর প্রবেশে শঙ্কায় খামারিরা

  অধিকার ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৪৩
কুরবানির পশু
কুরবানির পশু। (ছবি : পিবিআই)

ফেনীর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন খামারিরা। ফলে জেলায় দেশি গরুর পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও ভারতীয় গরুর এমন অনুপ্রবেশে দাম নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা।

এবার ফেনীতে লক্ষাধিক কোরবানির পশুর চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় খামারিদের কাছে মজুদ রয়েছে ৮৮ হাজারেরও বেশি পশু। যা দিয়ে এলাকার কোরবানির পশুর ৯০ শতাংশ চাহিদা পূরণকরা সম্ভব বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদফতর।

এবার জেলায় ৪ হাজার ২২২ জন খামারি মোট ৮৮ হাজার ১৯৬টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ২৩ হাজার ৩০৮টি ষাঁড়, ৩৯ হাজার ২৭২টি বলদ, ৯ হাজার ৪৬টি গাভী, ৪ হাজার ৯০টি মহিষ, ১০ হাজার ২০৭টি ছাগল, ২ হাজার ২০৩টি ভেড়া ও ৭০টি অন্যান্য প্রজাতির পশু রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী সদরে ২১ হাজার ৪০৮টি, ছাগলনাইয়ায় ১১ হাজার ৯২০টি, দাগনভূঞায় ২৪ হাজার ৭৫২টি, সোনাগাজীতে সাড়ে ১৬ হাজার, পরশুরামে ৮ হাজার ৪৩১টি ও ফুলগাজীতে ৫ হাজার ১৮৫টি পশু খামারে মোটাতাজা করা হয়েছে। যা দিয়ে ফেনীর কোরবানির পশুর চাহিদার সিংসভাগ পুরণ করা সম্ভব।

সূত্র আরও জানায়, গত বছর ঈদুল আজহায় জেলায় ৯৭ হাজার ৯৫৬টি পশু কোরবানি করা হয়েছিল।

এক খামারি জানান, ঈদ ঘনিয়ে এলে সীমান্ত এলাকার ভারতীয় কাঁটাতারের ফাঁক গলিয়ে আসতে থাকে ভারতীয় গরু। একাধিক চক্র প্রভাবখাটিয়ে ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিপুল সংখ্যক গরু নিয়ে আসেন। রুগ্ন ও অপুষ্ট এসব গরু বাজারে কম মূল্যে বিক্রি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হন দেশীয় খামারিরা।

জেলার সবচেয়ে বড় খামারি পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার বলেন, তার খামারে তিনশতাধিক গরু লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিটি গরুর পেছনে কাঁচা ও শুকনো খড়, ভুষিসহ দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। আশাকরি খামারের সবগুলো গরু বিক্রি হয়ে যাবে।

৪ বিজিবির পরিচালক (অধিনায়ক) লে. কর্ণেল নাহিদুজ্জামান জানান, বিগত কয়েক মাসে ফেনীর বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সময় প্রচুর ভারতীয় গরু ও মোটাতাজাকরণের বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

অপরদিকে জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মো. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন জেলার ৫০টি পশুরহাটে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাদের নেতৃত্ব ৫ সদস্যের টিম হাটগুলোতে গিয়ে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ খামারি ও বেপারীদের দিক নির্দেশা দিচ্ছেন।

এছাড়া ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) খোন্দকার নুরুন্নবী জানিয়েছেন পরশুরহাটসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে ছিনতাই চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।

ওডি/এসএইচএস

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড