• মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

খাগড়াছড়িতে নিজের মেয়েকে ধর্ষণকারী সেই পিতা গ্রেফতার 

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

২৭ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩০
গ্রেফতার
নিজের মেয়েকে ধর্ষণকারী পিতা আবুল কাশেম ওরফে শিয়াল কাশেম (ছবি : দৈনিক অধিকার)

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণকারী পিতা আবুল কাশেম ওরফে শিয়াল কাশেমকে মামলার এক সপ্তাহ পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে খাগড়াছড়ির আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

এর আগে গত ২০ জুলাই ভুক্তভোগী ওই মেয়ের চাচা ওমর ফারুক বাদী হয়ে রামগড় থানায় মামলা দায়ের করলে মেয়েকে ধর্ষণে স্বামীকে সহযোগিতার দায়ে মা মনোয়ারা বেগমকে গ্রেফতারের পর জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মো. আবদুল হান্নান জানান, ঘটনার পর আসামিকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টার পর শনিবার খাগড়াছড়ি আদালত চত্বর থেকে বিশেষ কৌশলে ছদ্মবেশী পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

প্রসঙ্গত, মায়ের সহযোগিতায় মাদ্রাসা পড়ুয়া নিজের ঔরশজাত মেয়েকে ধর্ষণ করে আসামি আবুল কাশেম ওরফে শিয়াল কাশেম। গত ২ জুলাই রাতে জোরপূর্বক মেয়েকে ধর্ষণ করে আবুল কাশেম। এ সময় পিতার পা ধরে ক্ষমা চেয়েও ধর্ষণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারে নি ওই মেয়েটি। 

সবশেষ গত ১২ জুলাই রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকার সময় পুনরায় ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে পিতা আবুল কাশেম। এতে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে চাইলে ওই মেয়ের মা তার মুখ চেপে ধরে এবং ধর্ষণের কথা কারও কাছে প্রকাশ করলে মেয়েকে গলাটিপে হত্যার ভয়ভীতি দেখায় তার পিতা। 

পরে বিষয়টি গত ১৪ জুলাই তার চাচা ওমর ফারুক জানলে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে মেয়ে ও তার মাকে থানায় নিয়ে গেলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেয়ের একাধিকবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করে তার মা। ঘটনা জানাজানির পর থেকেই পলাতক ছিল ভুক্তভোগী ওই মেয়ের দিনমজুর পিতা আবুল কাশেম।

ওডি/আইএইচএন

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড