• শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় গরুর বিশেষ যত্ন

  মো. মুশফিকুর রহমান, সাতক্ষীরা

১২ জুলাই ২০১৯, ২২:০২
খামার
কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় গরুর বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে (ছবি : দৈনিক অধিকার)

পবিত্র ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় গরুর বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে। ঈদের বাজারে ভালো দাম পেতে খামারিরা পশুর নিবিড় পরিচর্যা করছেন। এছাড়া গরুকে মোটাতাজাকরণের জন্য নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন এনে উন্নতমানের খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে গরু না আসলে এ বছর ভালোই লাভবান হবেন বলে আশা করছেন খামারিরা। তবে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর থেকে কোনো রকম পরামর্শ বা সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ এসব খামারিদের।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের জেলা সাতক্ষীরায় এ বছর ১২ হাজার ৭৩৩ জন খামারি তাদের খামারে ৪৩ হাজার ৩০৬টি গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ করছেন। এরমধ্যে ষাঁড় ২০ হাজার ৬৮৭টি, বলদ তিন হাজার ৯০৪টি, গাভি পাঁচ হাজার ৯৭৮টি, ছাগল ২২ হাজার ৪৮০টি এবং ভেড়া তিন হাজার ২২২টি। এছাড়া খামারের এ পরিসংখ্যানের বাইরেও পারিবারিকভাবে বাড়িতে ঈদের পশুর বাড়তি যত্ন নেওয়া হচ্ছে।

গরু মোটাতাজাকরণে পরিবর্তন করা হয়েছে গরুর খাদ্য তালিকাও (ছবি : দৈনিক অধিকার)

কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই খামারিরা গরুর বিশেষ যত্ন নেওয়া শুরু করেছেন। গরুর নিয়মিত খাদ্য তালিকার সঙ্গে যোগ করেছেন কচি সবুজ ঘাস, ভুট্টার গুড়া, ভুসি এবং খুদের ভাতের মতো নানা উপাদান। তবে গরু মোটাতাজাকরণে কোনোপ্রকার রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে না। এছাড়া শুধু গরুর খাদ্য তালিকায় পরিবর্তনই আসেনি, একই সঙ্গে নজর দেওয়া হচ্ছে গরুর চেহারার সৌন্দর্যের দিকেও।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালী নিজের বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন বিশাল গরুর খামার। তার খামারে একশোটির মতো গরু রয়েছে। তিনি বলেন, ঈদের বাজার ধরতে গরুর বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে। নিজের সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে প্রতিটি গরুকে মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত গরুর যে বাজার দর আছে তাতে দেশের বাইরে থেকে গরু না আসলে সব খরচ বাদ দিয়েও আমরা লাভবান হব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, গরুর কোনো সমস্যা হলে গ্রাম্য ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাই না। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর যদি খামারিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে তবে ভবিষ্যতে খামার থেকে আমরা আরও বেশি লাভবান হব।

খামারিদের এমন অভিযোগের ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের অফিস সহকারী আবদুল জাব্বার বলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে খামারিদের খোঁজ-খবর নেওয়া হয় না, এ অভিযোগটি ঠিক নয়। জেলায় ১২ হাজারের বেশি খামারি আছেন। সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখাটা একটু কষ্টসাধ্য। তবে কারও খামারের কোনো ধরনের সমস্যার ব্যাপারে আমাদের জানালে আমরা ওই খামারির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিই।

ওডি/আইএইচএন

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড