• রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫  |   ২৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ : মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে বিপুল পরিমাণ বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ১ জনকে আটক করেছে র‍্যাব

আসলাম হত্যার আসামিরা অধরা, আতঙ্কে পরিবার

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:১৯

নারায়ণগঞ্জ
ছবি : দৈনিক অধিকার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের কিশোর আসলাম হত্যার আসামিরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিরা বীর বেশে এলাকায় ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের আটক করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

পরিবারটির অভিযোগ, কিলিং মিশনে ৫ জন জড়িত থাকলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারে ২ জনকে আসামি করেছেন। মামলা তুলে না নিলে পরিবারের সবাইকে আসলামের পরিণতি করা হবে এই মর্মে সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে আসামিরা নিহতের পরিবারকে হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। এতে হত্যাকারীদের ভয়ে নিহতের পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। 

নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, বিগত ৪ মাস আগে নব কিশলয় উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করার প্রতিবাদ করায় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদক কারবারি মেহেদী হাসান, তার সহযোগী লিমন মিয়া, হেলাল মিয়া, সুমন মিয়া ও মনির হোসেন আসলাম মিয়াকে বেধড়ক পেটায়। 

এর জেরেই ওই দিন সন্ধ্যায় আসলাম ও তার কয়েকজন বন্ধু মিলে মেহেদী হাসানকে বেধড়ক মারধর করে। এরপর ভয়ে আসলাম এলাকা ছেড়ে চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে আপোষ করার জন্য আসলামের পরিবার বহু চেষ্টা করে। কিন্তু মেহেদী হাসান ও তার লোকজন আপোষে রাজি না হয়ে উল্টো আসলামকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। 

নিহতের বোন আসমা আক্তার বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আসলামকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ফিরে আসার একদিন পর ১২ জানুয়ারি দিনে দুপুরে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বোরহান মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে মেহেদী হাসান ও তার সহযোগীরা আসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বোন আসমা আক্তার বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করতে গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২ জনকে আসামি করে মামলা নেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিরা এলাকায় বীর বেশে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের আটক করছে না। স্থানীয়রা জানান, আসামিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এছাড়া চুরি, ছিনতাই করে থাকে। 

রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হক বলেন, পুলিশ আসামিদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযুক্ত ৩ জনের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করতে তদন্তকারী কর্মকর্তার অনীহা প্রকাশের বিষয়টি বললে তিনি বলেন, আমার জানা নেই। যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড