• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

শীত আসলেই জমে উঠে জামাই-শ্বশুরের পিঠার দোকান

  মো. আকাশ, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)

০৬ নভেম্বর ২০২২, ১৪:০১
শীত আসলেই জমে উঠে জামাই-শ্বশুরের পিঠার দোকান

'শীত' শব্দটা শুনলেই যেন মনে পড়ে যায় পিঠার কথা। চোখে ভেসে উঠে সুস্বাদু নানা রকমের পিঠার দৃশ্য। তেমনি হঠাৎ দেখা মিলল জামাই-শ্বশুর পিঠা ঘরের। কর্মীদের দ্বারা তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু বিভিন্ন আইটেমের পিঠা। চুলা থেকে নামানোর সময়টুকুও যেন পিঠা প্রেমীদের সহ্য হচ্ছে না। মুহূর্তেই তা চলে যাচ্ছে অপেক্ষমাণ ক্রেতার হাতে।

অস্থায়ী দোকানটিতে ক্রেতারা বসতে না পাড়লেও ভিড় জামাচ্ছেন সড়কেই। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পিঠা ক্রয় করে খাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ কাগজের তৈরি প্যাকেটে করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (৪ নভেম্বর) ও শনিবার (৫ নভেম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ পুলস্থ ব্রিজের সঙ্গে ফল দোকানের পাশে ছোট এ দোকানটিতে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

কথা হয় দোকানের মালিক মো. আনোয়ারের সঙ্গে। তার কাছে জানতে চাওয়া হলো কতো আইটেমের পিঠা তিনি বিক্রি করেন।

জবাবে তিনি বললেন ১৩ আইটেমের পিঠার কথা।

১৩টি আইটেম পিঠার মূল্য ও নামগুলো হলো: ডিম পিঠা ২০ টাকা, সিদ্ধ কুল ২০, ভাজা কুলি ২০, মাল পোয়া ২০, ফুল পিঠা ২০, নকশি ২০, তেল পিঠা ১০, সবজি পাকোড়া ১০, শামুক পিঠা ১০, লবঙ্গ ২০,পাটি সাপটা ২০, ঝাল কুলি ২০ ও মিষ্টি কুলি ২০ টাকায়।

ঢাকা ডেমরা সারুলিয়ার বাসিন্দা মো. আনোয়ার। দীর্ঘদিন যাবত পিঠা ব্যবসায় জড়িত তিনি। শীত আসলেই বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে পিঠা প্রেমীদের মুখের সাধ মেটানো কাজ তার।

ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা হয়। একই স্থানের একটু ধুরে তার আরেকটি দোকান রয়েছে। দুটি দোকান মিলে তারা ১১ জন ব্যক্তি কর্ম করেন সেখানে।

দোকানটির পরিচালকের দায়িত্বে থাকা জামাই মনছুরের সঙ্গে কথা হয়। কত টাকার পণ্য সামগ্রী নিয়ে প্রতিদিন ব্যবসা পরিচালনা শুরু করেন জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, দুটি দোকান মিলে প্রায় ১৭ হাজার টাকার মতো মালামাল নিয়ে বসেন তারা।

তিনি বলেন, গত অক্টোবরের ১২ তারিখ থেকে এখানে এসে দোকানদারি শুরু করেন তারা। পুরো শীতের মৌসুম করার লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছে।

দীর্ঘ সময় পিঠার জন্য দাড়িয়ে থাকা সামছুল হকের কাছে স্বাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বাসা পশ্চিম পাড়া এলাকায়। গত পরশুদিন এখানে পিঠা খেয়েছিলাম। সেদিন খেয়ে মোটামুটি স্বাদ লাগায় আজ বাচ্চাদের জন্য বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আমি মোটামুটি ৪-৫টা আইটেম টেস্ট করেছি।

রিক্সা চালক নূরের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এইখানে যাত্রী লইয়া আসছিলাম। ভিড় দেইখা দাঁড়াইছি, পড়ে দুইখান পিঠা খাইলাম ৩০ টাকা দিয়া। শীত তো এহনো নামেই নাই তাও অনেক মানুষ দেখছি।

পিঠা কিনতে আসা আব্দুল মজিদ বললো 'শীতের' মৌসুম এখনো আসেনি। তাই বাড়িঘরে এখনো পিঠার কথাবার্তা শুনিনি। আজ এখান দিয়ে যাওয়ার পথে চোখে পড়লো তাই কয়েকটা আইটেম নিয়ে নিলাম। বাসায় গিয়ে খাওয়ার পর টেস্টের বিষয়টা জানা যাবে। মূল্যও কম দেখলাম ২০ টাকার ঊর্ধ্বে তো দেখলাম না।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড