• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইসির আইন সংশোধনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আ. লীগের স্মারকলিপি

  মো. কবির হোসেন, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি)

০১ নভেম্বর ২০২২, ১৬:৫৪
ইসির আইন সংশোধনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আ. লীগের স্মারকলিপি

ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিটি ওয়ার্ডে মেম্বার নির্বাচনে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে অন্য প্রার্থীকে হত্যা করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়ে যাবে। এমনকি সন্ত্রাসীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধির মুখোশ পড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবে। নিম্ন সাক্ষরকারীগণ উক্ত আইন সংশোধনের দাবি জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪নং কাপ্তাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় প্যাডে প্রায় ৫ শত জন স্বাক্ষরিত প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহানের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেয়া হয়। সে সাথে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের সচিবকে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী এবং কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল হকের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চতুর্থ ধাপের ঘোষিত তফসিল মোতাবেক বছরের ২৬ অক্টোবর ২০২১ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ১১ নভেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ ছিল। তফসিল অনুযায়ী কাপ্তাই উপজেলার ৪নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের দুবারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত ইউপি সদস্য সজিবুর রহমান সজিব ও ইমান আলী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন এবং জমা দেন। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই ইমান আলী তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সজিবুর রহমান সজিবকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের জন্য নানান ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। সর্বশেষ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৬ অক্টোবর সজিবুর রহমান সজিব মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার না করায় ঐদিন রাতে কাপ্তাই নতুনবাজার সজিব হত্যা হয়। ৩২ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। পরবর্তীকালে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কমিশন ঐ ওয়ার্ডের ভোট গ্রহণ স্থগিত করলেও সজিব হত্যা মামলার ২নং আসামি ইমাম আলী জামিনে বেরিয়ে আসে। পরে নির্বাচন কমিশন তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে ঘোষণা করেন। যা কাপ্তাই উপজেলাবাসীদের হতবাক করেছে। আমরা এই আইনের বাতিল চাই। স্মারকলিপি প্রদানকালে কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও ৪নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ, চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মিলন, ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরনজীত তনচংগ্যা, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর চক্রবর্তী, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন, কাপ্তাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত, মানব বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক সুলতান আহমদ, সহ প্রচার সম্পাদক রঞ্জিত মল্লিক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলী, কাপ্তাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি চাথোয়াই মারমা, কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম নুর উদ্দিন সুমন, কাপ্তাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মহিম উদ্দিন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মো. রাসেল সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপি প্রদান শেষে কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আজকে আমরা এই কালো আইন বাতিলের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছি। একটি ওয়ার্ডে দুইজন প্রার্থীর মধ্যে একজন সন্ত্রাসী কর্তৃক নিহত হলে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় অপর প্রার্থীকে নির্বাচিত করার যেই বিধান নির্বাচন কমিশনে আছে আমরা সেই আইনের বাতিল চাই। কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মিলন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর চক্রবর্তী এই আইন বাতিল এবং সংশোধনের দাবি জানান।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড