• বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

sonargao

কর্তাদের বিভিন্ন অনিয়মে জর্জরিত ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট

  জিল্লুর রহমান, ফরিদপুর

২৬ জুলাই ২০২২, ২৩:০১
কর্তাদের বিভিন্ন অনিয়মে জর্জরিত ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট
ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (ফাইল ছবি)

ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী জানান, প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের গাছ, ফল ফলাদি তাদের ইচ্ছামত যখন খুশি তখন বিক্রি করে। প্রতিষ্ঠানে মুরগির খামারে সরকারিভাবে কোনো মুরগি পালনের অনুমতি নেই কিন্তু কয়েকজন শিক্ষক খামারটি তাদের ব্যক্তিগত খামার হিসেবে ব্যবহার করছে। কিছুদিন পূর্বে প্রতিষ্ঠানের ৬টি বাবলা গাছ কোনো নিয়ম না মেনে স্থানীয় এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে। এছাড়া পুকুরের মাছ, ফলমূল কোথায় যায়, কি নিয়মে বিক্রি হয় তার কোনো তথ্য জানা যায় না। একটি পুকুর খনন কাজে ১১ লক্ষ টাকা বাজেট হয়েছিল কিন্তু খনন কাজে মাত্র দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। বাকি টাকা কোথায় গেল? প্রতিষ্ঠানের গেস্ট হাউসে শিক্ষকেরা বিনা ভাড়ায় রাত্রিযাপন করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুরগির খামারে বেশকিছু মুরগি রয়েছে। পুকুরটি নামমাত্র খনন হয়েছে। পুকুরের চারপাশ ঝোপঝাড়ে পূর্ণ।

এসব বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক (সহকারী কৃষি কর্মকর্তা) দেলোয়ার ও বিকাশ এই প্রতিবেদককে জানান, সরকারিভাবে খামারের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। ছাত্রছাত্রীদের এ বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা দিতে আমাদের সমিতির মাধ্যমে এখানে মুরগি পালন করা হচ্ছে। গাছ বিক্রির বিষয়ে তারা জানান বাবলা গাছগুলো প্রয়োজনীয় ছিল না; এ জন্য স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে দুই হাজার পাঁচশত টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এবং ফলফলাদিও নিয়ম মেনে বিক্রি করা হয়। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে তারা বিক্রির রশিদ বা সরকারি খাতে জমার কোন রশিদ দেখাতে পারেননি।

এ সময় তারা দাবি করেন, আপনাদের কাছে এ অভিযোগ কে করেছে তা আমরা বুঝতে পেরেছি। তিনি আমাদের কলেজের সাবেক ছাত্র গিয়াস। এতদিন তিনি ও তার লোকজন প্রতিষ্ঠানের সবকিছু লুটে খেয়েছে কিন্তু এখন আমরা তা হতে দিচ্ছি না। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের নামে এসব রটাচ্ছে। আমরা যা করছি নিয়ম মেনেই করছি।

এ দিকে পুকুর খননের বিষয়ে ইঞ্জি: জনির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পুকুর খনন তার তত্বাবধানে হয়েছে কিন্তু কত টাকা বরাদ্দ ছিল তা তিনি জানেন না এই বলে ফোনটি কেটে দেন।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চারদিন হলো যোগদান করেছি। এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো. তাজবীর হোসাইন  

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড