• বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

‘২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার অভিযোগপত্র অতিরঞ্জিত’

  হারুন আনসারী, ফরিদপুর

০৮ জুন ২০২২, ২০:৫০
‘২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার অভিযোগপত্র অতিরঞ্জিত’
সংবাদ সম্মেলনে ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের মেয়ে যাওয়াতা আফনান রাদিয়া (ছবি: অধিকার)

দেশব্যাপী আলোচিত ২ হাজার কোটি টাকা মামলার অভিযোগপত্র ভুল তথ্যে অতিরঞ্জিত করে সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের মেয়ে যাওয়াতা আফনান রাদিয়া।

তিনি বলেন, সিআইডি, দুদক, বিএফআইইউ হাইকোর্টে অর্থ পাচারকারীর যে তালিকা জমা দিয়েছে সেখানে আমার বাবার নাম নেই। অথচ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার বাবার নামে ২ হাজার ৯১০ কোটি টাকার মামলার একটি গল্প কাহিনির অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। এই মামলাটি এখন রাজনৈতিক খোরাকে পরিণত হয়েছে। সরকার দলীয় লোকের নামে মামলা হলে স্বাভাবিক আইন ও বিচার তার পক্ষে পাওয়া দুরূহ ব্যাপার। মামলাকে অতিরঞ্জিত করার ফলে আমরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

বুধবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাদিয়া বলেন, গত ১৩ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে আমার বাবা ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের সম্পদের হিসাব গণমাধ্যমে তুলে ধরেছিলাম। সিআইডি, দুদক, বিএফআইইউ হাইকোর্টে অর্থ পাচারকারীর যে তালিকা জমা দিয়েছে সেখানে আমার বাবার নাম না থাকায় প্রমাণিত হয়েছে। গণমাধ্যমে দেওয়া আমার হিসাব সত্য ও সঠিক ছিল। তারপরও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার বাবার নামে ২৯১০ কোটি টাকার মামলার একটি কল্প কাহিনিমূলক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

রাদিয়া বলেন, তথ্য প্রমাণ ছাডাই ব্যাংক লেনদেনের বিবরণী থেকে ডেবিট ও ক্রেডিটের যোগফলকে উপার্জিত সম্পদের মোট পরিমাণ ধরে এই রূপকথার মামলা সাজানো হয়েছে। একটি কুচক্রি মহল ও প্রশাসনের সরকারবিরোধী কর্মকর্তারা ব্যক্তিকে শায়েস্তার নামে এই রুপকথার মামলা তৈরি করে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। দুদক ২ বছর অনুসন্ধান করে কোম্পানির আয়কর নথি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করে কোম্পানির সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদ দেখিয়ে মামলা দিয়েছে ২৭ কোটি টাকার। অপরদিকে সিআইডি ৭ দিন অনুসন্ধান করে ঐ একই ধারায় ২৯১০ কোটি টাকার অভিযোগপত্র দিয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে রাষ্ট্রের দুটি সংস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

যাওয়াতা আফনান রাদিয়া বলেন, এই মামলায় যাদের সহযোগী আসামি করা হয়েছে তাদের কারও সাথেই আমার বাবার আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক নেই। ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নিশান মাহমুদ শামিমকে এই ২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলায় রিমাণ্ডে নিয়ে নির্যাতন করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির কথা বলে প্রচার চালানো হয়েছে যে, শামীম টাকা পাচারের কথা স্বীকার করেছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। বিরোধী দলের নেতারা শামীমের উদাহরণ টেনে সরকারের দুর্নীতি তুলে ধরার অপচেষ্টা চালান। অথচ ছাত্রলীগ নেতা শামীম এর কোন পাসপোর্ট নেই, একটি মাত্র ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে যেখানে মোট লেনদেনের পরিমাণ মাত্র ২ লাখ টাকা। সিআইডি কোন উপায় না পেয়ে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দেয়। অথচ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম এই মামলায় দীর্ঘ ৯ মাস কারাবরণ করে দল থেকে বহিষ্কার হয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এখন।

তিনি আরও বলেন, ২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার অভিযোগপত্রের অসঙ্গতি তুলে ধরে রাদিয়া জানান, মামলার অভিযোগপত্রে জমির যে পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে তাতেও ব্যাপক গরমিল রয়েছে। ভুল জমির হিসাবগুলো বাদ দিলে প্রকৃত জমির পরিমান আয়কর নথিতে আয়ের উৎসসহ উল্লেখ আছে। যাদেরকে এই মামলার সাক্ষী বানানো হয়েছে, তাদের নিকট তার পিতার জমি বায়না বাবদ টাকা পাওনা রয়েছে। এই মামলা এজাহার ও তদন্তকালে যিনি ডিআইজির দায়িত্বে ছিলেন তাকে সরকার ইতিমধ্যে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছেন। বিচারিক আদালত চার্জ গঠনের শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন এবং তদন্ত কর্মকর্তা সঠিক জবাব দিতে না পেরে আদালতের নিকট কর জোরে ক্ষমা চেয়েছেন। অস্ত্র মামলার এজাহার পরিবর্তন করা হয়েছে। এজাহারের সঙ্গে কোর্টে প্রেরণ করা ফরওয়ার্ডিং, রিমান্ড আবেদন ও প্রতিবেদনের মিল নেই।

রাদিয়া বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন না করা সত্ত্বেও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী ১৬৪ ধারার জবাববন্দি গ্রহণের আগে আসামিকে আলাদাভাবে ৩ ঘন্টা করে সময় দিতে হয়। আমাদের মামলাগুলোতে এসব আইন মানা হয়নি। ২০২০ সালের ১৩ জুন তারিখে ভিন্ন ৩টি মামলার ৫ জন আসামিকে একই বছরের ১৮ জুনের দুটি মামলার ৩ জন আসামিকে, ২৫ জুনের ৩টি মামলার ৫ জন আসামিকে, ২৮ জুনের ভিন্ন ২ মামলার ২ জন আসামিকে, ৩০ জুনের ভিন্ন দুটি মামলার ২ জনকে এবং ১ জুনের ভিন্ন দুটি মামলার দুইজন আসামির জবানবন্দি একই সময় গ্রহণ করা হয়েছে। ৬টি মামলার শ্যোন অ্যারেস্ট ও রিমান্ড শুনানির জন্য আদালত থেকে আসামি উপস্থিতির জন্য জেলার বরাবর সি.ডাব্লিউ ইস্যু করা হলেও কোন সি.ডাব্লিউ জেলখানায় পৌঁছায়নি। তাহলে কিসের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে হাজির করা হল এবং কি প্রক্রিয়ায় রিমান্ড শুনানি ও শ্যোন অ্যারেষ্ট দেখানো হলো?

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারের পর ৩টি মামলা দেওয়া হয় এবং ৩টি মামলার বাদীর দাবি আসামিকে সে গ্রেফতার করেছে এবং মামলা লিপিবদ্ধ পর্যন্ত আসামি তার নিকট ছিল। এটা কি করে সম্ভব একজন আসামি একসঙ্গে ৩ জনের নিকট কিভাবে থাকে? প্রথম বাদী আসামি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে ৯টা ৩০ মিনিটে, দ্বিতীয় বাদী আসামি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে ১০টা ৩০ মিনিটে এবং তৃতীয় বাদী আসামি নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়েছে ১১টা ৩০ মিনিটে। অভিযোগপত্রের পিসিপিআর এ ১৪টি মামলা উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে ক্রমিক নং ২, ৩, ৫, ৬, ৭ (৫টি) মামলার এজাহার বা চার্জশিটে নাম না থাকা সত্ত্বেও উল্লেখ করেছে। বাকি ৯টি মামলা গ্রেফতারের পর দায়েরকৃত।

রাদিয়া বলেন, ওই অভিযোগপত্রের ৭১ নং পাতার ৫ম লাইনে বলা হয়েছে মানিলন্ডারিং উপায়ে উপার্জন ২ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। ৭ম লাইনে পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ বলা হয়েছে ২ হাজার ৯১০ কোটি।

উপার্জনের চেয়ে পাচার বেশি হয় কিভাবে প্রশ্ন রেখে রাদিয়া বলেন, ১৮৮টি ব্যাংক একাউন্টে লেনদেনের পরিমাণ ২ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈধ হিসাবে দেখা যাচ্ছে ব্যাংক ঋণ ১৭১ কোটি এবং টেন্ডার সিকিউরিটি ২০৮ কোটি মিলিয়ে ৩৭৫ কোটি টাকা। অথচ চাতুর্যতার মাধ্যমে এখানে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিলের টাকার পরিমাণ উল্লেখ না করে ২ হাজার ৯১০ কোটি টাকা থেকে ৩৭৫ কোটি টাকা বিয়োগ করে ২ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন দেখানো হয়েছে। ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে জমাকৃত অর্থকে আয়ের উৎস হিসাবে ধরা হয়। কিন্তু অভিযোগপত্রে উত্তোলনকৃত অর্থকে এবং অভ্যন্তরীন ব্যাংক লেনেদেনের পরিমানকেও আয় হিসাবে ধরে এই রুপকথার মামলাটি তৈরি করা হয়েছে। জমা না হলে উত্তোলন হবে না। তাহলে এই ২ হাজার ৯১০ কোটি টাকার মধ্যে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ কত এবং উত্তোলনের পরিমান কত? এই অর্থ নগদ জমা হয়েছে নাকি সরকারি চেকের মাধ্যমে জমা হয়েছে? সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিলের চেক তো অবৈধ হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগপত্রের ৬৮ নং পাতায় ২য় লাইনে বিভিন্ন দপ্তরের বরাত দিয়ে ঠিকাদারি কাজের পরিমান উল্লেখ করা হয়েছে ৮৩৪ কোটি টাকা। এই ৮৩৪ কোটি টাকার চেক ব্যাংক জমা দিয়ে উত্তোলন করলে লেনদেনের পরিমান দাঁড়ায় ৮৩৪ যোগ ৮৩৪ সমান ১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এই ঠিকাদারি কাজগুলো ব্যাংক লোনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রত্যেকটি কাজের বিপরীতে অ্যাসাইনমেন্টকৃত লোন একাউন্ট থাকায় প্রাপ্ত চেক প্রথমে লোন একাউন্টে জমা হয়, তারপর ট্রান্সফার হয়ে মূল একাউন্টে যাওয়ায় ইন্টারনাল লেনদেন এর মাধ্যমে আরও লেনদেন হবে ১ হাজার কোটি টাকার মতো। এছাড়া পে-অর্ডার ব্যাংক গ্যারান্টি বাবদ ২শ’ থেকে ৩শ’ কোটি টাকা লেনদেন বৈধভাবে হয়েছে। তাহলে সরকারি ৮৩৪ কোটি টাকার বিপরীতে লেনদেনের পরিমান দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৬৮ যোগ ১ হাজার যোগ ৩শ’ সমান ৩ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রায়।

রাদিয়া বলেন, বাংলাদেশে যারা ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ করেন তাদের সবারই ব্যাংক একাউন্টের লেনদেনের প্রক্রিয়া এভাবেই সম্পন্ন হয়। আর কৃত কাজের বিলের শতকরা ১০ ভাগ থেকে ১৫ ভাগ হয় লাভ। ব্যাংক লেনদেনের পরিমাণকে সম্পদ হিসাবে ধরে তারা বলছে মানিলন্ডারিং উপায়ে উপার্জন। অভিযোগপত্রের এই জাতিয় হিসাবকে বর্বর যুগের মূর্খতার সাথে তুলনা করা চলে।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবা ইমতিয়াজ হাসান রুবেল ২০০১ সাল থেকে ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। গত ২২ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সন্দেহভাজন লেনদেনের তালিকায় তার নাম কখনও ছিল না। তিনি তিনবার জেলার সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন। তারপরেও কেন এই মিথ্যা মামলা আমরা জানি না। অভিযোগপত্রের ৬৯ নং পাতায় একই নামে একাধিক দরপত্রের কথা বলা হচ্ছে। বাস্তবে ই-জিপিতে একই নামে একাধিক দরপত্র দাখিলের সুযোগ নেই এবং কাজের সংখ্যার চেয়ে পে-অর্ডারের সংখ্যা বেশি হওয়া স্বাভাবিক। কারণ সব দাখিলকৃত দরপত্রে কাজ পাওয়া যায় না। দিনাজপুর এক্সিম ব্যাংকে আরটিজিএস এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফারের কথা বলা হয়েছে। বাস্তবে ওই ব্যাংকে আমার বাবা বা কোন আত্মীয়-স্বজনের একাউন্ট নেই।

রাদিয়া এ সময় অভিযোগপত্রের ৫২টি দলিলকে দুই বা ততোধিক বার উল্লেখ করা, ১৮টি ভুল দলিল দেখানো, ১৬টি মেয়াদোত্তীর্ণ বায়নাকৃত বাতিল দলিল দেখানো, ২৯টি যৌথ মালিকানা দলিলকে একক মালিকানা দলিল হিসাবে দেখানো এবং ১৭টি দলিলের মূল্য বেশি দেখানো। অভিযোগপত্রের ভুল জমির হিসাবগুলো বাদ দিলে প্রকৃত জমির পরিমান আয়কর নথিতে আয়ের উৎসসহ উল্লেখ আছে বলে তিনি জানান।

গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে অমানষিক নির্যাতনের অভিযোগ করে রাদিয়া বলেন, আমার বাবা গত বছর ২ বছর যাবত কারাগারে আটক আছেন। গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় এবং ১৪টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে এই নির্যাতনের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লুটতরাজ চালিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। সরকারি কাজের বিপরীতে ব্যাংক লোন একাউন্টগুলো জব্দ করা হয়েছে। আমার মা চাচির নামে চুরির মামলাসহ একাধিক মামলা দেয়া হয়েছে। পরিবারের ছোট ছোট ৯টি ভাইবোন আমরা। পরিবারকে দীর্ঘ ২ বছর যাবত বাড়ি ঘরে যেতে দেওয়া হয় না।

আরও পড়ুন: উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে দুই নারীর ঝগড়া, হাতাহাতি

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৬ জুন ঢাকার কাফরুল থানায় ২ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে একটি মামলা করেন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার উত্তম কুমার বিশ্বাস। বর্তমানে ওই মামলার চার্জ গঠনের শুনানি চলছে আদালতে।

ওডি/এমকেএইচ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড