• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

‘আহসান উল্লাহ মাস্টার ছিলেন দক্ষ সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব’

  আব্দুল মালেক, স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর

০৭ মে ২০২২, ১৯:৫৭
মাহবুবুল আলম হানিফ
কথা বলছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। (ছবি : অধিকার)

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, ‘শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার ছিলেন একজন দক্ষ সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব। একজন শিক্ষক হয়েও শ্রমিকদের মাঝে দ্রুত জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছিলেন। যে কারণে জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। যেতে পেরেছিলেন মেহনতি মানুষের খুব কাছে।’

শনিবার (৭ মে) শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যার কারণ ছিল আদর্শিক। ১৯৭১ এর পরাজিত শক্তি ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা আমাদের এ স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি। তারা এ স্বাধীনতাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করাতে বারবার চেষ্টা করেছে।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তিনি কথায় কথায় গণতন্ত্রের সবক দেন। আহসান উল্লাহ মাস্টারের রক্ত আপনার নেত্রী খালেদা জিয়া ও আপনার নেতা তারেক রহমানের হাত লেগে আছে। এখান থেকে কোনোদিন মুক্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। আপনি যতই মায়া কান্না কাঁদেন আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীর রক্তে আপনার নেত্রীর হাত রঞ্জিত, আপনার নেতার হাত রঞ্জিত। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার এ বাংলার মাটিতে হয়েছে এবং হবে। আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর আগেই এ হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় কার্যকর করা হবে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দুই শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে কারাগারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতা ও দয়ায় জেলখানার পরিবর্তে বাসায় আছেন। আরেকজন শীর্ষ নেতা তারেক রহমান দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে বিদেশে পলাতক। যে দলের দুই শীর্ষ নেতা কারাগারে ও বিদেশে পলাতক তাদের মুখে আইনের কথা, দুর্নীতি ও গণতন্ত্রের কথা মানায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ এর ঘাতকদের দোসর। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পরই আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য চক্রান্ত করেছিল। আওয়ামী লীগের প্রায় তিন লক্ষ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করেছিলেন। তখনই বহু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছিল। আওয়ামীলীগকে খণ্ড বিখন্ড করা হয়েছিল। তিনি এই অপশক্তির বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের কাছ থেকে সতর্ক থাকার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।’

আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি, প্রফেসর রুমানা আলী টুসি এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মন্ডল, জেলা পরিষদের প্রশাসক আখতারউজ্জামান, সাবেক সচিব ও জাতীয় পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি এমএম নিয়াজ উদ্দিন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মহি উদ্দিন মহি, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জামিল হাসান দুর্জয়সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

ওডি/জেআই

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড