• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

শেরপুরের নয় গ্রামে আগাম ইদ জামাত অনুষ্ঠিত

  শাকিল মুরাদ, শেরপুর

০২ মে ২০২২, ১০:১২
শেরপুরের নয় গ্রামে আগাম ইদ জামাত অনুষ্ঠিত
আগাম ইদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে (ছবি : অধিকার)

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের নয়টি গ্রামে পালিত হচ্ছে আগাম ইদুল ফিতর। এরই মধ্যে সেই গ্রামগুলোতে আগাম ইদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ চরখারচর, বামনেরচর, গাজীরখামার গিদ্দাপাড়া, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয় আনি পাড়া, নকলা উপজেলার নারায়নখোলা ও চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল।

সোমবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ইদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামায়াতে শতাধিক করে মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। এসব জামায়াতে পুরুষ মুসল্লিদের পাশাপাশি ১০ থেকে ২৫ জন করে নারী মুসল্লিও পর্দার আড়ালে থেকে একই জামাতের সহিত ইদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে পারস্পরিক কোলাকোলির পর তারা প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

মুসল্লি আব্দুল সাত্তার বলেন, অনেকদিন ধরে আমরা যারা এই এলাকায় বসবাস করি তারা সবাই সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ইদের নামায আদায় করি। নামায আদায় শেষে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাই, তারা আমাদের বাড়িতে আসে। সারাদিন আমরা অনেক আনন্দ করি।

নূরনবী মিয়া নামে আরেক মুসল্লি বলেন, এটি স্বাভাবিক একটি বিষয়। কারণ আমরা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ইদ করি। নামায আদায় শেষে আমরা যার যার মতো ঘুরাফেরা করি, আত্মীয় ও বন্ধুদের বাড়িতে যাই, তারাও আমাদের বাড়িতে আসেন। এটা আজ নতুন নয়। আমরা প্রতি বছরই এভাবে ইদ পালন করে থাকি। আগে তাও কম কম মানুষ জামাতে অংশগ্রহণ করতেন, এখন দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যদিও সাধারণ মুসল্লিদের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকায় নিজেদের সুরেশ্বর দরবার শরিফের ভক্ত বলে দাবিদার কিছু লোক সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ইদুল ফিতর পালন করে আসছেন।

নকলা উপজেলার চরকৈয়া এলাকার ইমাম মাওলানা মো. সারোয়ার জাহান বলেন, প্রতিবছর সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে এখানে রোজা রাখাসহ ইদের নামাজ পড়া হয়। তবে কুরবানি বাংলাদেশের ইদের দিনই দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : সিলেটের হকার্স মার্কেটে আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

গোবিন্দনগরের মুফতি হাফিজুল ইসলাম বলেন, এটা নতুন নয়, প্রতি বছরই আমরা জামাত করি। তবে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছর মসজিদে করতে হয়েছে, এবার করোনা না থাকায় মুসল্লিরা মাঠে গিয়ে ইদের নামাজ পড়তে পেরেছেন। আগে মানুষ জামাতে অংশ নিতেন কম, এখন দিন দিন মানুষ বেশি করে জামাতে অংশ নিচ্ছেন।

ওডি/কেএইচআর

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড