• শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

রাঙামাটিতে আপেল কুল চাষ করে স্বাবলম্বী সুশান্ত কুমার

  এম.কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি

০৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:৫৪
রাঙামাটিতে আপেল কুল চাষ করে স্বাবলম্বী সুশান্ত কুমার
কুল চাষ করে স্বাবলম্বী সুশান্ত কুমার। ছবি : অধিকার

রাঙামাটিতে ও ব্যাপক আকারে চাষ করা হচ্ছে আপেল কুল। সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের সোনারাম কার্ব্বারি পাড়ার বাসিন্দা সুশান্ত কুমার তঞ্চঙ্গা একজন সফল কুল চাষি।

রাঙামাটির পাহাড়ে বাণিজ্যিক ভাবে আবাদ করা হচ্ছে আম, বারোমাসি কাঁঠাল, তেঁতুল, বিভিন্ন জাতের পেঁপে, মাল্টা, বিলাতি ধনিয়া ও লেবুসহ বিভিন্ন জাতের ফলফলাদি। তবে পাহাড়ে বর্তমানে বেশি আবাদ করা হচ্ছে আপেল কুল। আপেল কুল বাজারে কেজি প্রতি বিক্রি করা হচ্ছে প্রায় ২০০টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৃষি উদ্যোক্তা সুশান্ত কুমার তঞ্চঙ্গা সদর উপজেলার মধ্যে একজন সফল চাষি। সে মিশ্র ফলফলাদির বাগান করে পরিবেশকে সবুজ শ্যামল রেখেছে। সে নেশা ও পেশা হিসেবে তার নিজস্ব ১০ একর জমিতে বিভিন্ন ফলজ বাগান করেছেন।

ইতোমধ্যে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম সুশান্ত কুমার তঞ্চঙ্গার কুল বাগান পরিদর্শন করে আপেল কুলের প্রশংসা করেছেন।

নাসরিন বলেন, আমরা যদি পরিশ্রম করে পাহাড় গুলো আবাদ করি তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারি।তাই পাহাড় গুলো আমরা পতিত না রেখে সবাই ফলজ ফল ফলাদির চাষ করি।

সুশান্ত কুমার তঞ্চঙ্গা জানান, সে প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে বিভিন্ন ফলফলাদি দিয়ে তার বাগানে চাষাবাদ শুরু করেন। পরে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে তাদের পরামর্শক্রমে পেঁপে, লেবু, আপেল কুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বাগান শুরু করে।তাই আমি প্রায় ১০ একর জমিতে ফলজ আবাদ শুরু করি। বর্তমানে ফলের মধ্যে সব চেয়ে বেশী আবাদ হয়েছে আপেল কুল। অনেক ভাল আপেল কুল আবদ হয়েছে। দুই ধরনের বরই চাষ করেছি একটি হলো আপেল বরই অপরটি হয়েছে কাশ্মীরি বরই।

সুশান্ত কুমার তঞ্চঙ্গা আরও জানান, দুই ধরনের বরই ভাল হয়েছে। বাজারজাত করা হলো বিপুল পরিমাণ অর্থ অর্জন করা যাবে। বরইগুলো পাকতে আরও সময় লাগবে। পাহাড়ে ফলজ বাগান চাষ করতে অনেক কষ্ট। কিন্তু সমতলে চাষাবাদে কষ্ট কম হয়।

আরও পড়ুন : কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢলে প্রাণ ফিরছে

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, এ জেলায় সর্বমোট-৭৬৪ হেক্টর জমিতে বরই চাষের আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর স্থানীয় পর্যায়ে রবই চাষের ফলন অনেকটা ভাল হয়েছে। উন্নতমানের বরই চাষে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা প্রদানসহ ওষুধপত্র সরবরাহ করে থাকি। সরকার কৃষির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।

ওডি/এসএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড