• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ খুলনার নগরবাসী

  শেখ শান্ত ইসলাম, খুলনা

১৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪:৪৫
খুলনা নগরবাসী ওষুধ না ছিটানোয় মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ
ড্রেন-নালা পরিষ্কার না করায় মশার উপদ্রব। ছবি : অধিকার

খুলনা নগরীতে নিয়মিত ওষুধ না ছিটানো ও ড্রেন-নালা পরিষ্কার না করায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। ঘরে-বাইরে, অফিসে সবখানেই মশার যন্ত্রণা। নগরবাসী বলেছেন, ৪৫ দশমিক ৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শহরটিতে সারা বছরই কমবেশি মশার উপদ্রব থাকে। তবে গত কয়েকমাসে সেই উপদ্রব কয়েকগুণ বেড়েছে।

নগরীর রেলওয়ে হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, দিনে-রাতে মশার উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছিয়েছে। মশার কারণে রাতে তার দুই ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত তিন মাসে মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

নগরীর বয়রা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহিন বলেন, দিনের বেলায় ঘরের জানালা-দরজা খোলা যায় না। খুললেই মশার আক্রমণ। মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেন। কিন্তু এতে সাময়িকভাবে মশার হাত থেকে নিস্তার পাওয়া গেলেও একটু পরে আবার আক্রমণ শুরু হয়ে যায়।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়ে কোনো লাভ হয়নি। এখানে এখনো কোনো ফগার মেশিন বা স্প্রে করতে দেখা যায়নি।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মশার উপদ্রব একটি সাধারণ বিষয়। নগরীতে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার হয় না। এছাড়া রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের কারণে পানি আটকে থাকে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বজর্য ব্যবস্থাপনা ভালো না, যে কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। মশকনিধনে তারা ব্যর্থ।

এ ব্যাপারে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ বলেন, বর্ষা ও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এখন মশা প্রজননের সময়। যে করণে মূলত মশা কিছুটা বেড়েছে। মশকনিধনের জন্য ক্রাশ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ওই কর্মসূচির আওতায় সিটি কর্পোরেশনের ৫০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করছেন। ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : আশুলিয়ায় নারী নির্যাতনের মামলায় ইউপি সদস্য আটক

তিনি আরও বলেন, মশক নিধনের জন্য সকালে লার্বিসাইড বা কালো তেল মারা হয়। বিকালে ফগার মেশিন দিয়ে ধোঁয়া দেওয়া হয়। মূলত লার্বিসাইডের কাজ হলো মশার লার্ভা মারা। মশা এ তেলের ওপর এসে বসলেও মারা যাবে। নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে এ নিয়ে ৩১ জন কাজ করছেন। সঙ্গে আরও অতিরিক্ত ৩১ জন রয়েছেন। অতি জরুরি প্রয়োজনে আরও তিনজন লোক বেশি রাখা হয়েছে।

ওডি/ এসএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড