• রোববার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মিরসরাইয়ে চাহিদার দ্বিগুণ কোরবানির পশু

  এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)

১৭ জুলাই ২০২১, ১৬:৩২
বিশ্বকাপ
ছবি : সংগৃহীত

আর মাত্র কয়েকদিন পরই পবিত্র ইদুল আযহা। ইদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যে জমে উঠেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ছোট-বড় অসংখ্য পশুর হাট।

কোরবানিকে ঘিরে উপজেলায় সাড়ে তিনশ খামারে প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার পশু। যা মিরসরাই উপজেলার কোরবানির পশুর চাহিদার দ্বিগুণ। উপজেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে ১৫-১৬ হাজার। সম্প্রতি সময়ে অসংখ্য বাণিজ্যিক পশুর খামার গড়ে উঠায় এবার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত রয়েছে। মিরসরাইবাসীর চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাগুলোতেও পাঠানো হবে পশু।

জানা যায়, প্রতিবছর ইদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার খামারি ও কৃষকরা গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত থাকেন। দেশে গত দুই বছর ভারত থেকে পশু তুলনামূলক কম আমদানি হওয়ায় দেশি গরুর চাহিদা বেড়েছে। ফলে এ সময় খামারিরা ভালো লাভও পেয়েছিল।

তাই এ বছরও দেশি গরু ও ছাগল পালনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন উপজেলার খামারি ও কৃষকরা। ভারতীয় গরু না এলে এবারও লাভবান হওয়ার প্রত্যাশা তাদের।

উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী ৩১ টি হাঁটে গবাদিপশু বেচাকেনা হয়। হাঁটগুলোর মধ্যে মিরসরাই বাজার, বড়তাকিয়া, মিঠাছরা, জোরারগঞ্জ, বারইয়ারহাট ও আবুতোরাব গরুর বাজার উল্লেখযোগ্য। এসব বাজারে বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা এসে গরু কিনে ফেনী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে বিক্রি করে।

এছাড়া স্থানীয় ব্যাপারীরা এলাকায় কৃষকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরু কিনে তা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে। খামারি ছাড়াও উপজেলার সাধারণ কৃষকরা বাড়তি আয়ের জন্য বাড়িতে এক-দু’টি করে গরু পালন করে। ইদের সময় আকারভেদে গত বছর প্রতিটি গরু ৪৫ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করেন এখানকার খামারি ও কৃষকরা।

উপজেলায় ৫০ ভাগ গরু মোটাতাজা করছে খামারিরা। আর বাকি ৫০ ভাগ করছে কৃষকরা। উপজেলা প্রাণীসম্পদ দফতরের তথ্য মতে, মিরসরাই উপজেলায় ছোট-বড় ৩৫০ টি খামার রয়েছে। এসব খামারে এবার ৪৫ হাজার ষাঁড়, বলদ, গাভী, মহিষ, ছাগল, ভেড়া হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় গরুর সংখ্যা বেড়েছে। উপজেলায় রেড় চিটাগাং গরু সবচেয়ে বেশি মোটাতাজা করা হয়। এছাড়া শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ান, জার্সি ও দেশী গরু ও মোটাতাজা করা হয়।

মিরসরাই উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র পোদ্দার বলেন, প্রায় দেড় বছর ধরে দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পেশা পরিবর্তন করেছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ কৃষি ও পশুপালনে নিয়োজিত হয়েছেন। প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ, করোনাকালীন প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে। এই কারণে এবার মিরসরাইয়ে চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet