• রোববার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

কদমতলা পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই

  মো. মুশফিকুর রহমান রিজভি, সাতক্ষীরা

১৬ জুলাই ২০২১, ১৩:৪০
নির্দেশনার তোয়াক্কা না করেই চলছে পশু হাট
সাতক্ষীরায় সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করেই চলছে পশু হাট। (ছবি : দৈনিক অধিকার)

সাতক্ষীরা সদরের কদমতলা বাজারে সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করেই বসছে পশু হাট। এই হাটে কোন রকম সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে কেনা-বেচা। করোনা পরিস্থিতিতে আসন্ন ইদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় সরকার যে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছে তার বেশিরভাগই অমান্য হচ্ছে এখানে।

সরকারি নির্দেশনায় হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের একমুখী চলাচল, অর্থাৎ প্রবেশপথ এবং বের হওয়ার পথ আলাদা করার কথা থাকলেও কদমতলা বাজারের পশুর হাটের দুটি পথ দিয়েই প্রবেশ এবং বহির্গমন চলছে কোনরকম বাধা ছাড়াই।

নির্দেশনায় বৃদ্ধ ও শিশুদের পশুর হাটে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলা হলেও এই হাটে সব বয়সী মানুষের আনাগোনা লক্ষ করা গেছে। পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও চোখে পড়েনি।

হাটে আসা সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সেটি নিশ্চিত করা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র, হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত বেসিন, পানি ও জীবাণুনাশক সাবান রাখার কথা নির্দেশনায় উল্লেখ থাকলেও বাজারটিতে নেই কোনো তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র। নেই হাত ধোয়ার জন্য পানি ও জীবাণুনাশক। এমনকি নেই পর্যাপ্ত বেসিনও।

সরকারি নির্দেশনায় সামাজিক দূরত্ব মেনে পশুর হাটে লাইনে দাঁড়ানো, প্রবেশ এবং বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য বলা হলেও এই হাটে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। এমনকি হাটে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে মাস্কও দেখা যাচ্ছে না। আবার কারও কাছে মাস্ক থাকলেও তা মুখ থেকে নিচে নামানো অথবা পকেটে কিংবা অন্যত্র রেখে দিয়েছেন তারা।

গোলাম রসুল ও রুহুল আমিন নামের দুই ছাগল বিক্রেতার কাছে মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাইলে উভয়েই বলেন, মাস্ক আছে কিন্তু পকেটে। মাস্ক কেন মুখে দেননি এমন প্রশ্ন করতেই পকেট থেকে মাস্ক বের করে মুখে দেন তারা।

বাবলা নামের আরেক বিক্রেতার কাছে মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাস্ক ছিল কিন্তু ছাগল নিয়ে বাজারে আসার সময় হারিয়ে গেছে। এজন্য মাস্ক পরতে পারিনি আর এখন ছাগল রেখে তো মাস্ক আনতে যেতে পারছি না।

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেনা-বেচার বিষয়ে কদমতলা বাজারের পশুর হাটের ইজারাদার মো. রেজাউল ইসলাম রাজা বলেন, আমি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো। এবং সকলকে মাস্ক পরার জন্য অনুরোধ জানাবো।

এ প্রসঙ্গে কদমতলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া গাজীর মন্তব্য জানার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, কদমতলা বাজারে সপ্তাহের কোন দুই দিন পশুর হাট বসে এটা আমার জানা ছিলোনা। আমি ব্যবস্থা নেবো ইনশাআল্লাহ।

ওডি/জেআই

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet