• বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

করোনা ভাইরাস : সীমান্তে অবাধে যাতায়াত করছে ভারত-বাংলাদেশের নাগরিক

  হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম

০৫ জুন ২০২১, ১৪:২২
ছবি : দৈনিক অধিকার

কুড়িগ্রামের বেশ কয়েকটি সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার না থাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরা অবাধে মেলামেশা করছেন। পাশাপাশি গ্রামে বসবাস করা এসব মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে হাটবাজারসহ নানান ধরণের লেনদেন করছেন। ফলে শংকা দেখা দিয়েছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পরার। স্বাস্থ্য বিভাগ নজরদারীর কথা বললেও মাঠ পর্যায়ে অবস্থা ঢিলেঢালা।

জানা যায়, কুড়িগ্রামে ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত পথ রয়েছে ২৭৮ দশমিক ২৮ কিলোমিটার এলাকা। এরমধ্যে নদীপথে ৩১৬ কিলোমিটার এবং মেইনল্যান্ডে ৩২ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতার নেই। জেলার নয়টি উপজেলার মধ্যে সাতটি উপজেলায় পড়েছে সীমান্ত এলাকা। এ সব এলকায় পাশাপাশি বসবাস করা বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকরা নিজেদের প্রয়োজনে মেলামেশা করছেন, লেনদেন করছেন। ফলে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পরার আশংকা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে।

এ ব্যাপারে মোটেই সচেতন নয় সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশী নাগরিকরা। জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের শিমুলতলা ও ছোট খামার গ্রামের ১০২১ সীমান্ত পিলার এলাকায় নেই কোন কাঁটাতার। একই অবস্থা ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাঁশজানি গ্রামে। এই দুই গ্রামে দীর্ঘ আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার এলাকায় নেই কোন কাঁটাতার। ফলে এই তিন গ্রামে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার দীঘলটারী গ্রামের মানুষ অবাধে প্রবেশ করছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। তারা হাটবাজার করছেন, লেনদেন করছেন এবং মেলামেশা করছেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে কাঁটাতারে গিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েই সেলফি তুলছে। এলাকার লাকজনের সাথে মিশছেন। ফলে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পরার আশংকা রয়েছে এসব সীমান্তবর্তী এলাকায়।

নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের ছোট খামার গ্রামের অধিবাসী শমসের আলী জানান, এখানে দুইদিকে বাংলাদেশ মাঝখানে কলসের মুখের মত ভারতীয় অংশ রয়েছে। এখানে দুই দেশের মানুষ হলেও প্রতিবেশীর মত বসবাস করে।

একই এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, শুধুমাত্র পিলার দিয়েই ভারত-বাংলাদেশ বোঝানো হয়েছে। গরু-ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে গেলে মাঝে মধ্যে তাদের গ্রামে যায় বাংলাদেশীরা। ওরাও আসে এখানে হাট-বাজার করতে। তবে এখন কমে গেছে। তবে ভারতে যে ভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে তাতে আমরা চিন্তিত। কখন যে কিভাবে আসে বলা মুসকিল।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, সীমান্তবর্তী এবং বৃহৎ নদ-নদীময় জেলা হওয়ায় এখানে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার শংকা রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগসহ জেলা প্রশাসন, বিজিবি, পুলিশ বিভাগ করোনার সংক্রমণ রোধে কাজ করছে। সীমান্তের বিষয়গুলো আমাদের নজরে রয়েছে।

ওডি/এমএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড