• বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

অস্তিত্ব সংকটে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো

  রাকিব হোসেন আপ্র, লক্ষ্মীপুর

০৩ জুন ২০২১, ২০:০৪
dfhfg
ছবি : দৈনিক অধিকার

করোনা পরিস্থিতিতে টানা ১৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। আর্থিক অভাবের মুখে পড়ে ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বহু স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। ফলে চাকরি হারিয়ে বেকার হয়েছেন অনেকেই।

লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের নিক্বন স্কুল, ট্যালেন্ট একাডেমী ও ইকরা মাদরাসা সহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জীবিকানির্বাহ হতো বহু শিক্ষক-কর্মচারীর পরিবারের। একই সাথে বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছিল এসব স্কুল-মাদরাসাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু স্কুল বন্ধ হওয়ায় সব এলোমেলো হয়ে গেছে।

জানা গেছে, এখনও যেসব প্রতিষ্ঠান টিকে আছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন তো দূরে থাক, ভবন ভাড়া দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে যাওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা বলছেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। কিন্তু আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। করোনার কারণে অন্য কোথাও চাকরি খুঁজে নেয়ারও সুযোগ পাচ্ছি না। তবে কেউ কেউ ফ্রিল্যান্সিংয়ের সাথে জড়িত হয়ে নিজেদের স্বচ্ছলতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে বেসরকারি শিক্ষক নেতাদের দাবি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো গড়ে তুলে উদ্যোক্তারা যেমন নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন, তেমনি শিক্ষিত বহু বেকার নারী-পুরুষকে চাকরির সুযোগ করে দিয়েছেন। একই সাথে সর্বোচ্চ জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতার সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করে অসংখ্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী আবিষ্কার করছেন। যারা দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে অবহেলা করা মোটেও কাম্য নয়।

লক্ষ্মীপুর প্রাইভেট স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দেশ ও সরকারের বোঝা নয়। কিন্তু এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ হয়ে গেলে এই মানুষ গুলো দেশ ও সরকারের বোঝা হয়েই দাঁড়াবে। তাই অস্তিত্ব সংকটে পড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জেড এম ফারুকী বলেন, অন্যান্য পেশাজীবিদের চেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের। তারা কিছু করতেও পারছে না, কারও কাছে কিছু চাইতেও পারছে না।

তবে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই অন্যান্য পেশাজীবি মানুষের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে সরকার।

ওডি/

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড