• শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

রাঙামাটিতে কোটি টাকার বেসিন অকেজো

  রাঙামাটি প্রতিনিধি

০৪ মে ২০২১, ১৬:৪৭
বনরুপা
বনরুপা চৌমুহনী কাঁচাবাজার মুখে অকেজো হয়ে পড়ে আছে ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি বেসিনটি (ছবি : দৈনিক অধিকার)

রাঙামাটিতে কোটি টাকার হাত ধোয়ার বেসিন অকেজো। ২০২০ সালে করোনা ভাইরাস হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন ও জনসচেতনতার জন্য জনবহুল এলাকাগুলোতে এসব হাত ধোয়ার বেসিন তৈরি করা হয়েছিল। মাস যেতে না যেতেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তৈরি বেসিন গুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। ভেঙ্গে গেছে বেসিনগুলোর পানির পাইপ ও নল। এসব মেরামত বা দেখার কেউ নেই।

জেলা সদরের মধ্যে ৯টি, সদর উপজেলার মানিকছড়ি ১টি এবং প্রত্যেক উপজেলায় ২টি করে ১০ উপজেলায় ২০টি সর্ব মোট-৩০টি বেসিন প্রথম করোনাকালিন সময়ে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। যা ব্যয় হয়েছে প্রায় ১কোটি টাকার মত। সরকারি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি বেসিনগুলো কোন কাজেই আসেনি।

বনরুপা চৌমুহনী কাঁচাবাজার মুখে যে বেসিন বসানো হয়েছে সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বেসিন কমপক্ষে এ বেসিনটি চালু রাখার প্রয়োজন ছিল। কারণ যারা কাঁচাবাজারে ও মাছ বাজারে প্রবেশ করছে তাদের হাত ধোয়া একান্ত জরুরী। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সে বেসিনটিও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এভাবে জনবহুল এলাকার বেসিন গুলো এই মহামারি করোনার সময়ে চালু করা না হলে আর চালু হবে কবে এমন প্রশ্ন কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ জনগণের।

রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সজল চক্রবর্তী জানান, শহরের জনবহুল এলাকা, বনরুপা, রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, কলেজগেট, সদর হাসপাতাল, সদর উপজেলা পরিষদ ও মানিকছড়িসহ ১০ উপজেলায় ২০টি সর্ব মোট-৩০টি বেসিন তেরি করা হয়েছিল। এসব বেসিন তৈরি করতে গিয়ে এক একটিতে প্রায় ৩০-৩২ হাজার টাকার মত ব্যয় হয়েছে।

তার দেওয়া তথ্য মতে, প্রায় ১কোটি টাকার মত ব্যয় হয়েছে এসব বেসিন তৈরি করতে।

রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, করোনাকালিন সময়ে সরকারের নির্দেশ ছিল এই সব বেসিন তৈরি করার জন্য। যে সব বেসিন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ সরকারি টাকায়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর এই সব বেসিন তৈরির কাজ করেছেন।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে অনুপম দে বলেন, এগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ এগুলো রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। তাই আমি মনে করি সচেতনতার অভাব রয়েছে যার কারণে বেসিন গুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। আমাদেরতো এত জন বল নেই যে, বেসিনগুলো আমরা পাহারা দিয়ে রাখব।

আরও পড়ুন : লাভের আশায় বাজারে উঠেছে অপরিপক্ক লিচু

তবে বেসিনগুলো শতভাগ সচল রাখতে পারছিনা এটাও আমাদের ব্যর্থতা বলে আমি মনে করি। অপর দিকে যে সব এলাকায় বেসিন বসানো হয়েছে তাদের ও অবহেলা রয়েছে। দেখা গেছে বেসিনগুলো নল ও পাইপ ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। আবার দেখা গেছে আমরা সাবান দিয়েছি সাবানও নিয়ে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে এখনো আমাদের সচেতনতার অভাব রয়েছে।

ওডি/হাসান

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড