• শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

লকডাউন নিয়ে চিন্তিত পাহাড়ের মানুষ

  এম.কামাল উদ্দিন, রাঙামাটি

০৯ এপ্রিল ২০২১, ২০:৪৬
স্বস্তি ফিরে পেল রাঙামাটি শহরবাসী। চলছে গণপরিবহন। শুক্রবার সকালে শহরের হ্যাপীর মোড় থেকে তোলা (ছবি: দৈনিক অধিকার)

লকডাউন নিয়ে চিন্তিত তিন পার্বত্য জেলার পাহাড়ি মানুষ। ফের লকডাউন দিতে পারে সরকার- এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এখানকার নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সম্প্রতি এক সপ্তাহের লকডাউনে আর্থিকভাবে চরম দৈন্যদশায় পড়েছেন তারা। তাই বিকল্প উপায় খুঁজতে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ তাদের।

তিন পার্বত্য জেলার ২৬ উপজেলার মানুষের আয়বর্ধক উপার্জন বলতে তেমন কিছুই নেই। এখানকার প্রধান আয়ের উৎস হলো পর্যটক শিল্প খাত। দ্বিতীয় আয়ের উৎস কাপ্তাই হ্রদের মাছ। তৃতীয় হচ্ছে, সেগুন গাছ কেটে ফার্নিচার তৈরি করে রাঙামাটির বাহিরে রপ্তানি করা। তাই লকডাউন দিলে এসব কাজকর্মের সাথে যুক্ত সবাই বেকার হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

তিন পার্বত্য জেলার মানুষ অত্যন্ত দ্রারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে। আয়-রোজগারের তেমন কোনো ফ্যাক্টরি নেই। পাহাড়ে সীমিত রাস্তাঘাট এবং সীমিত লোকের বসবাস। এই তিন জেলায় করোনার প্রভাব অত্যন্ত কম। তারপরও আমরা সবাই সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলাফেলা করছি। তাই সরকারের কাছে আকুল আবেদন তিন পার্বত্য জেলা সমতলের মতো নয়। তাই এখানে আইনগুলো শিথিল করা হলে জনগণ উপকৃত হবে। সরকার চাইলে পার্বত্য চট্টগ্রাম করোনাকালীন সময়ে একটু শিথিল করতে পারেন। পাহাড় আর সমতল এক নয়। লকডাউনের সময় তিন জেলায় দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ করে দিয়ে স্থানীয় যানবাহন চলাচলের অনুমতি দিলে জনগণ না খেয়ে মরবে না।

সিএনজি চালক ও দিনমজুরদের বক্তব্য

রাঙামাটি শহরে চলাচলের একমাত্র যানবাহন হচ্ছে সিএনজি। তাই শহরের মধ্যে সীমিত আকারে সিএনজি চলাচলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা পাহাড়ের মানুষ, দিনে আনি দিনে খাই, ঘর থেকে বের না হলে পেটে ভাত জুটে না। তাই লকডাউন দিলে আমাদেরকে না খেয়ে থাকতে হয়। এখানে বড় কোনো কলকারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান নেই যে ওইসব কলকারখানায় গিয়ে শ্রমিকেরা কাজ করে খাবে। এভাবে সরকার ঘনঘন লকডাউন দিলে আমরা কোথায় যাব? সরকার আমাদের দিনমজুরদের কথা মাথায় রাখতে হবে।

জেলা প্রশাসকের বক্তব্য

জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকার দেওয়া মেসেজ বাস্তবায়ন করছি। এখানে আমার তো কিছুই করার নেই। সরকার যে নির্দেশ দেবেন সেটা আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে বাধ্য। সারাদেশে যে হারে করোনাভাইরাস বেড়ে গেছে তারই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটিতেও স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে আমি ও আমার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছে। এ নিয়ে সরকার যখন যে নির্দেশ দেবেন সেটা আমি পালন করবো।

ওডি/আমিন

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড