• মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭  |   ৩৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

এক যুগেও চালু হয়নি ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোর সেবা

  ইমন চৌধুরী, পিরোজপুর

০৪ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫২
ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (ছবি : দৈনিক অধিকার)

সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচের পরেও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার লাখো মানুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন ও প্রয়োজনীয় সকল কিছু থাকলেও গত ১২ বছরেও চালু হয়নি ইনডোর সেবা বা আবাসিক চিকিৎসা।লোকবলেও রয়েছে সংকট। আবার যারা দায়িত্বে আছেন মানছেন না অফিস টাইম। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির নৈশপ্রহরী দিয়ে চালানো হচ্ছে ইমারজেন্সি বিভাগ।

বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারই আলোকে পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের মান বৃদ্ধির জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, মেডিক্যালের বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ পর্যাপ্ত করেছে অফিস ব্যবস্থাপনা। এতো কিছু থাকলেও গত ১২ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতালটির ইনডোর সেবা বা আবাসিক চিকিৎসা।

স্থানীয় বেশকিছু রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে ইন্দুরকানী হাসপাতালটি চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইনডোর সেবা চালু হয়নি শুধুমাত্র বিশুদ্ধ পানির অভাবে। ফলে এ উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং উন্নত মানের চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদের পিরোজপুর, খুলনা, বরিশাল এমনকি ঢাকাতে গিয়েও চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালের উন্নয়নে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও মূল সমস্যা বিশুদ্ধ পানির অভাব। পানি সমস্যা সমাধানে কাজ করেনি কর্তৃপক্ষ। যে কারণেই চালু হচ্ছে না আবাসিক চিকিৎসা।

এদিকে হাসপাতালটিতে লোকবলেও যেমন রয়েছে সংকট আবার যারা দায়িত্বে আছেন মানছেন না অফিস টাইম। হাসপাতালটির হাজিরা খাতায় দেখা যায় প্রধান সহকারী খালেদা নাসরিনসহ কয়েক জন কর্মকর্তার স্বাক্ষর নেই নিয়মিত। সুধু তাই নয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির নৈশপ্রহরী দিয়ে চালানো হচ্ছে ইমারজেন্সি বিভাগ।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিচালনায় বিভিন্ন সমস্যার কথা জানান ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আমিন-উল-ইসলাম। তিনি বলেন, হাসপাতালটিতে লোকবলেও যেমন সংকট রয়েছে এবং বিশুদ্ধ পানিরও সংকট রয়েছে। এই সমস্যা গুলোর সমাধান হলে আবাসিক চিকিৎসাও দিতে পারব।

উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিলরুবা মিলন নাহার জানান, প্রতিদিন শত শত রোগী বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসেন। ইনডোর সেবা চালু না থাকার কারণে তাদের প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে জেলা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে হচ্ছে। তাদের কষ্ট লাঘবে দ্রুত সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করা হচ্ছে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড