• বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আড়াই বছর পর হত্যার রহস্য উদঘাটন

  সারাদেশ ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:৪৩
পিরোজপুর
ছবি : সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অজ্ঞাত কঙ্কাল উদ্ধারের আড়াই বছর পর নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জিয়া নামে ওই যুবককে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে। পরে এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- রাসেল ওরফে নাসির (২৮) ও মিরাজ (৩১)। নাসির কাঠালিয়া উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে ও মিরাজ পাটিখালঘাটা গ্রামের শাহজাহান জমাদ্দারের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাদের গ্রেপ্তার হলেও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিষয়টি সাংবাদিকের জানায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার এসআই আসলাম জানান, ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই উপজেলার মিরুখালী ডিগ্রি কলেজের পশ্চিম দিকে রাস্তার পাশে কৃষক আবু সালেহর পরিত্যক্ত ডোবা থেকে অজ্ঞাত একজনের একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে কঙ্কালের ডিএনএ পরীক্ষায় পাশের ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার মরিচবুনিয়া এলাকার অপহৃত জিয়া নামে এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়।

এ ঘটনায় নিখোঁজ জিয়ার ভাই জুয়েল হাওলাদার বাদী হয়ে অপহরণ করে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ এনে ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪ জনকে আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করেন। পরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি ও মূল ঘাতক রাসেল ওরফে নাসির এবং মিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান জানান, জমি-জমা ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জিয়াকে অপহরণ করে মঠবাড়িয়া এলাকায় এনে হত্যা করে আসামিরা। গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড