• শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭  |   ২৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাঁচশ টাকায় মিলছে করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট

  শাহাদাৎ হোসেন, তালতলী, (বরগুনা)

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৪৫
বরগুনা
দোকান থেকে এডিট করা ভুয়া সনদ (ছবি: দৈনিক অধিকার)

বরগুনায় টাকার বিনিময়ে কম্পিউটার এডিট করে করোনার ভুয়া রিপোর্ট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বরগুনার তালতলী উপজেলায় একটি কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় আট মাস বন্ধ রাখা হয়েছিল। গত জানুয়ারি মাসে নতুন করে সেখানে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অল্প কিছু দিনে প্রায় এক হাজার শ্রমিক নতুন করে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যোগদান করেন।

ওই শ্রমিকদের প্রতিদিন করোনা টেস্ট করে কাজে ঢুকতে হয়। তবে কাজে যাওয়ার পরে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন থাকার কথা থাকলেও কিছু শ্রমিকরা তা মানছে না। এদের অধিকাংশ শ্রমিকের কোনও রকমের করোনা টেস্ট না করে ভুয়া সনদ তৈরি করে কাজে যোগদান করেছেন।

জানা গেছে, এই করোনার ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে প্রতারক চক্রের সদস্য ইব্রাহিম শেখ। তিনি ফটোশপকে পুঁজি করে ভুয়া করোনার সার্টিফিকেট তৈরি করে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে।

এ বিষয়ে এক ভুক্তভোগী মো. আউয়াল হোসন জানান, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকরি নেওয়ার জন্য করোনা টেস্টের দরকার হয় কিন্তু আমি না বুঝে ৫০০ টাকা দিয়ে ভুয়া রিপোর্ট কিনেছিলাম।

টাকার বিনিময়ে করোনা টেস্টের রিপোর্ট তৈরি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রতারক চক্রের সদস্য ইব্রাহিম শেখ ।

পরিবেশবিদরা বলছেন, টাকার বিনিময়ে কম্পিউটার এডিট করে যারা করোনার ভুয়া রিপোর্ট বিক্রি করে তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। সমাজকে ধ্বংস করার জন্য এমন অসাধু ব্যবসায়ীরাই যথেষ্ট।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কম্পিউটারে দোকানে করোনার রিপোর্ট দেওয়া প্রতারণার সামিল। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড