• বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌসুমি পাখিদের আগমন ঘটেছে’

  মুশফিকুর রহমান, সাতক্ষীরা

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:২০
সংবাদ সম্মেলন
ছবি : দৈনিক অধিকার

ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নে বিভিন্ন মৌসুমি পাখিদের আগমন ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন মন্তব্য করেন তারা।

লিখিত বক্তব্যে খাজরা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এবাদুল মোল্ল্যা বলেন, আগামী নির্বাচনে টানা দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ ডালিমকে পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করার লক্ষ্যে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এদেরমধ্যে গত দুইবারের বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস ২৭নং ওয়ার্ডের বাগমারা গ্রামের বাসিন্দা মৃত নওফেল মোল্ল্যার ছেলে চিহ্নিত বিএনপি নেতা অহিদুল ইসলামকে এলাকায় এনে নৌকার মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চালাচ্ছেন। অথচ অহিদুল ইসলামের জন্ম খাজরায় হলেও তিনি ৪০ থেকে ৪৫ বছর খুলনায় স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। সে কারণে গত কয়েক মাস যাবত অহিদুল নিজের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে খাজরার ভোটার হওয়ার চেষ্টা করছেন।

অহিদুলের একমাত্র সহযোগী রুহুল কুদ্দুস প্রচার দিচ্ছেন কোটি টাকা খরচ করে হলেও এবার নৌকার মনোনয়ন অহিদুলকে পাইয়ে দেওয়া হবে। এ খবর প্রচার হওয়ায় এলাকায় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আরো বলেন, টানা দুইবারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ডালিমের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা কয়েক কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এর জের ধরে চেয়ারম্যান ডালিমের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছেন। এমনকি তার প্রয়াত পিতা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা মৃত আলহাজ্ব মোজাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে একজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে দিয়ে যুদ্ধাপরাধের মিথ্যা মামলা দায়ের করায়। এ ঘটনায় আমরা মুক্তিযোদ্ধারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আবারও জানাচ্ছি।

বীর মুক্তিযুদ্ধা এবাদুল মোল্ল্যা আরও বলেন, চেয়ারম্যান ডালিম ১৯৯৪ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি থেকে শুরু করে ২০০০ সালে আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি,২০০৮ সালে আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০১৫ সালে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক, ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, উল্লেখিত দুইবারের পরাজিত চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস ২০১১ সালে ভোট পায় ২২৫৪ আর বর্তমান চেয়ারম্যান শাহনেওয়া ডালিম পায় ৯২০০ এবং ২০১৬ সালে পরাজিত বিদ্রোহী প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস পায় ২২৮৯ ভোট আর নির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম পায় ৮৯৫০ ভোট। ডালিমের এই বিপুল জনপ্রিয়তা রুহুল কুদ্দুসসহ তার প্রতিপক্ষরা মেনে নিতে না পেরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় অর্থলোভী নেতাদের ছত্রছায়ায় ডালিমসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। এতেও ক্ষ্যন্ত না হয়ে রুহুল কুদ্দুস এবার বৃহত্তর পরিকল্পনা হাতে নিয়ে খুলনার চিহ্নিত বিএনপি নেতাকে সাথে নিয়ে কোটি টাকা ব্যয় করে হলেও নৌকার মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষের শক্তি এবং সর্বসাধারণ মানুষ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিএনপি নেতা অহিদুল যাতে কোনোভাবেই নৌকার মনোনয়ন পেতে না পারে এবং চেয়ারম্যান ডালিমসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড