• বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ৬ মাঘ ১৪২৭  |   ২০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভৈরবে পৌর মেয়র ও পুলিশসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  ভৈরব প্রতিনিধি

২৭ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৬
ভৈরব পৌরসভার মেয়র অ্যাড. ফখরুল আলম
ভৈরব পৌরসভার মেয়র অ্যাড. ফখরুল আলম। (ছবি : সংগৃহীত)

ভৈরবে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে পৌরসভার মেয়র অ্যাড. ফখরুল আলম আক্কাছসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে একটি মানহানি মামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে ভৈরবের মো. তাবারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তি এ মামলা করেন। তার বাবার নাম শব্দর আলী এবং বাড়ি উপজেলার সম্ভুপুর গ্রামে।

মামলায় তিনজন পৌর কাউন্সিলর, একজন পুলিশ, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি কিশোরগঞ্জ পিবিআইকে তদন্ত করতে আদেশ দেন। মামলার আসামিরা হল ভৈরব পৌর মেয়র অ্যাড. ফখরুল আলম আক্কাছ, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সুলাইমান, ভৈরব পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আল-আমিন, পৌর কাউন্সিলর মো. দ্বীন ইসলাম, কাউন্সিলর হাবিবুল্লাহ নিয়াজ, পুলিশের এসআই মাজহারুল ইসলাম, পৌরসভার প্রধান সহকারী ইমাম হোসেন, জিল্লুর রহমান, বাদল মিয়া, লিয়াকত আলী ও আ. হেকিম।

বাদীর এজাহার সূত্রে জানা গেছে, একটি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাদী তাবারুক হোসেনকে আসামিরা তার বাড়ি থেকে পৌরসভায় ডেকে এনে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন পৌর মেয়র। পরে পৌরসভার প্রধান সহকারী ইমাম হোসেন তার বিরুদ্ধে মামলা দিলে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

তারপর বাদী দুই মাস ১৭ দিন জেল খাটার পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে জেল থেকে মুক্তি পায়। এ মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তাবারুক হোসেনকে মুক্তি দিয়ে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। তারপর করোনার কারণে বিলম্ব হলেও বাদী তাবারুক হোসেন বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-২ এ মানহানি মামলা করেন। বাদীর অভিযোগ, পৌর মেয়র অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তাকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পুলিশে সোপর্দ করে। মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে দেয়াসহ তার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।

তাবারুক হোসেন জানান, আমি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট জাল করিনি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ফারুক মিয়া তহবিলের টাকা আত্মসাৎ করলে আমি আদালতে মামলা করি। এ মামলায় তার এক বছরের জেল হয়। আসামি ফারুক জালিয়াতি করে পৌরসভায় একটি জাল ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যা আদালতে প্রমাণ হয়েছে, ওয়ারিশান সার্টিফিকেটটি আমি জাল করিনি। পৌর মেয়রের কারণে আমি জেল খেটেছি, আমার মানসম্মান গেছে। তাই আমি ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলা করেছি।

ভৈরব থানার এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, তৎকালীন ওসির নির্দেশ পেয়ে আমি পৌরসভায় যাই। সেখানে গেলে মেয়র সাহেব তাবারুক হোসেনকে আমার হাতে তুলে দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে পৌর কর্তৃপক্ষ মামলা করে। এতে আমি দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র।

আরও পড়ুন : চুক্তিতে অন্যের সাজা খাটছে অটোরিকশা চালক!

পৌর মেয়র অ্যাড. ফখরুল আলম আক্কাছ জানান, বাদী তাবারুক হোসেন একজন প্রতারক। সে আদালতে জাল ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দাখিল করে ফারুককে সাজা দেয়। তার বিরুদ্ধে করা মামলাটি তদবিরের অভাবে আদালত খারিজ করে দেয়া হয়। মেয়র হিসেবে আমি ব্যস্ত থাকি। যারা মামলা তদারকির দায়িত্বে ছিল তারা গাফিলতি করেছে। আদালতে করা মামলাটি আমি আইনিভাবে মোকাবেলা করব বলে তিনি জানান।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড