• সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ব্যবসায়ীকে হত্যার পর পেঁয়াজভর্তি ট্রাক নিয়ে উধাও!

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

১৭ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৪
থানা
সলঙ্গা থানা (ছবি : দৈনিক অধিকার)

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মহাসড়কের পাশে থেকে এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় অপর এক ব্যবসায়ীকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) ভোররাতে বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কে সলঙ্গা থানার পাটধারী এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

নিহত পেঁয়াজ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মাদ সরদার নাটোরের নলডাঙ্গার ঠাকুর লক্ষ্মীকুল গ্রামের তমিজ উদ্দিন সরদারের ছেলে। অপরদিকে আহত ব্যবসায়ী সামসুল ইসলাম একই গ্রামের মৃত হাফেজ আলী সরদারের ছেলে।

আহত পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সামসুল ইসলামের বরাতে সলঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক সোহাগ হাসান জানান, নাটোরের উত্তরা গণভবন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ নিয়ে ট্রাকযোগে বগুড়ায় যাচ্ছিলেন। পথে নন্দিগ্রাম এলাকায় পৌঁছে ট্রাক চালক বগুড়ার রাস্তায় না গিয়ে ভিন্ন রাস্তায় যাচ্ছিল। পরে ট্রাক চালক ও তার সহকারীরা ব্যবসায়ীদের মারপিট করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করে সলঙ্গা থানার পাটধারী এলাকায় মহাসড়কের পাশে লাশ ফেলে চালক ও সহকারীরা পেঁয়াজভর্তি ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন : সুন্দরবন-১১ লঞ্চের ছাদে যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেড জেড মো. তাজুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে লাশ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শর্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড