• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ কার্তিক ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ফেনীতে ২৮ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন শিক্ষক জয়নাল

  ফেনী প্রতিনিধি

১৫ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৩৭
ফেনী
শিক্ষক জয়নাল আবেদীন

দীর্ঘ ২৮ বছর পর আদালতের নির্দেশে চাকরি ফিরে পেলেন মো. জয়নাল আবেদীন নামের এক স্কুল শিক্ষক। জয়নাল ১৯৮২ সালে ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের ফতেহপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলেও তিনি প্রধান শিক্ষকের সকল দায়িত্ব পালন করতেন। ১০ বছর চাকরি করার পর ১৯৯২সালে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শেখ নুরুল আলম স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সময়ের এ শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।

শিক্ষক জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৭৬ সালে ফতেহপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন শেখ মমিনুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ও শেখ মোহাম্মদ লোকমান সহ স্থানীয়রা।১৯৮২ সালে যোগদান করার পর থেকে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেন তিনি। স্কুলের জরাজীর্ণ ভবন, আসবাবপত্র সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিল। তিনি স্কুলকে তিলে তিলে তৈরি করতে থাকেন। কিন্তু এক শ্রেণির কুচক্রী মহল তা সহ্য করতে পারেননি। তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শাহ মোহাম্মদ ইসহাক নিজামীর একটি কেলেংকারীর ঘটনার কারণে সকল শিক্ষক থেকে বাধ্যতামূলকভাবে পদত্যাগ পত্র নেয় পরিচালনা পর্ষদ। পরে অন্য শিক্ষকদের পদত্যাগ পত্র ফিরিয়ে দেয়া হলেও প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে জয়নালের পদত্যাগ পত্র কার্যকর করা হয়।

তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার কারণে তাকে বাধ্যতামূলক অব্যাহিত দেয়া হয়। কিন্তু তিনি তা কোনভাবে মেনে নিতে পারেননি। চাকরি ফিরে পেতে ১৯৯৩ সালে জয়নাল নিজে বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর মামলা চলার পর চলতি বছরের ৯ মার্চ হাইকোর্টের রায়ে জয়নাল চাকরি ফিরে পেয়েছেন। তিনি ১৯৮৩ ও ৮৪ সালে ফেনী সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ এবং ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তার দাবি আওয়ামী রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার কারণেই তাকে স্কুলের শিক্ষকতা পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনি শর্শদী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

মো. জয়নাল আবেদীন রায়ের কপি হাতে পাওয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফের কাছে যোগদান পত্র জমা দেন।

আরও পড়ুন : 'নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এজাহার আমি লিখিনি : মামলার বাদী'

স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঁঞা জানান, আদালতের রায়ের কপি পেলে ওই শিক্ষকের যোগদানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড