• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পদ্মা ও যমুনার পানি বৃদ্ধি

মানিকগঞ্জে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ, নতুন এলাকা প্লাবিত

  সারাদেশ ডেস্ক

১৮ জুলাই ২০২০, ১৮:৪৪
বন্যা
মানিকগঞ্জে পানিবন্দি ২৫ হাজার মানুষ, নতুন এলাকা প্লাবিত (ছবি : সংগৃহীত)

পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জের চার উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। জেলার শিবালয়, ঘিওর, দৌলতপুর এবং হরিরামপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে উজানের পানি ঢুকে পড়ায় বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক সড়ক ভেঙে গেছে।

ইতোমধ্যে হরিরামপুর উপজেলার লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে এবং নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পদ্মা নদীর উজানের পানিতে হরিরামপুর উপজেলা চত্বর, ডাক বিভাগ, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়, নব-নির্মিত ফায়ার স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। একদিকে পানি বৃদ্ধি অন্যদিকে প্রবল স্রোতের কারণে উপজেলার কয়েকটি আঞ্চলিক সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে এবং কয়েকটি রাস্তা ভেঙে গেছে, ফলে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের বসবাসকারী মানুষের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বন্যায় মানিকগঞ্জে এখন পর্যন্ত ৭৪ বর্গ কিলোমিটার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে আর ৭ হাজার ৩০৬ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় ৬৮৮টি পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্যা কবলিত বিভিন্ন এলাকায় ১৩০ মেট্রিক টন চাল এবং এক হাজার ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০ মেট্রিক টন চাল, দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশু খাদ্যের জন্য দুই লাখ টাকা এবং গো-খাদ্যের জন্য দুই লাখ টাকা মজুত রয়েছে। এ দিকে, যমুনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দৌলতপুর উপজেলায় বাচামারা, চরকাটারী, বাঘুটিয়া ও জিয়নপুর ইউনিয়নের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। বাড়ি-ঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন অনেকেই, একই সঙ্গে গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বানভাসি এসব মানুষ।

এ প্রসঙ্গে হরিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বিল্লাল হোসেন জানান, উপজেলার প্রায় সব কয়েকটি ইউনিয়নে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। সব থেকে বেশি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লেছড়াগঞ্জ, আজিমনগর, ধূলশুড়া, হারুকান্দি, বয়ড়া, সূতালড়ি, কাঞ্চনপুর ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন। এর মধ্যে পানিবন্দি প্রায় ৪০০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : সাংবাদিকসহ বাগেরহাটে ৩৩ জনের করোনা শনাক্ত

অন্যদিকে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস জানান, পদ্মা ও যমুনায় পানি বাড়ায় চারটি উপজেলার নিম্মাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাবার মজুত আছে। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং যাদের আশ্রয়ের প্রয়োজন তাদের আশ্রয়ন কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801721978664

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড