• রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

অল্পের জন্য রক্ষা পেল চাঁদপুরগামী সাড়ে আটশ লঞ্চ যাত্রী

  সারাদেশ ডেস্ক

২৪ মার্চ ২০২০, ০৯:২১
মেঘনা নদীর চরে আটকা গ্রিন ওয়াটার-১০
মেঘনা নদীর চরে আটকা গ্রিন ওয়াটার-১০ (ছবি : সংগৃহীত)

মুন্সীগঞ্জের চরকিশোরগঞ্জে মেঘনা নদীর চরে গ্রিন ওয়াটার-১০ নামে ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী একটি লঞ্চে মেঘনার ঢেউয়ের তোড়ে পানি উঠে পড়ায় জরুরিভিত্তিতে নোঙর করেছে।

জানা গেছে, ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী নেওয়ার কারণে লঞ্চটিতে পানি উঠে পড়লে তড়িঘড়ি করে নদীর চরে নোঙর করেন চালক। এতে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন প্রায় সাড়ে আটশ যাত্রী। এ দিকে বোগাদাদিয়া-৯ লঞ্চের মাধ্যমে প্রায় শতাধিক যাত্রীকে নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রীবোঝাই করার কারণে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। লঞ্চটি নদীর চরে নোঙর করা হয়েছে। অন্য একটি লঞ্চ ঢাকা থেকে রওনা হয়েছে। সেটি এলে যাত্রীদের সেই লঞ্চে করে গন্তব্যে পাঠানো হবে।

বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, লঞ্চটিতে ধারণক্ষমতা আছে প্রায় ৪শ যাত্রীর। কিন্তু প্রায় সাড়ে আটশ যাত্রী নিয়ে মেঘনা নদীতে আসার পরে লঞ্চটির ডেকে পানি উঠে গেলে চালক তড়িঘড়ি করে লঞ্চটি চরে নোঙর করতে সক্ষম হন। এতে কোনো যাত্রীর ক্ষতি হয়নি। বিকল্প হিসেবে অন্য লঞ্চের যাত্রীদের পারাপারে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মোস্তাফিজুর আরও বলেন, যদিও এ ব্যাপারে লঞ্চের স্টাফরা দাবি করছেন বাল্কহেডের ধাক্কায় লঞ্চে পানি উঠেছে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে আমাদের তা মনে হয়নি। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণেই লঞ্চটি ডুবতে বসেছিল বলে জানান তিনি। 

ওডি/এএস

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড