• বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬  |   ৩৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

তালতলীতে গাছে গাছে আমের মুকুল, ছড়াচ্ছে ঘ্রাণ

  শাহাদাৎ হোসেন, তালতলী, বরগুনা

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:৪৩
বরগুনা
আম বাগান (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বসন্তের শুরুতে গাছে গাছে আমের মুকুল ছড়াচ্ছে ঘ্রাণ এবারে বরগুনার তালতলীতে বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণে আমের মুকুলের সমারোহ ঘটছে। মুকুলের ভারে গাছের ডাল-পালা নুয়ে পড়ছে। ছোট-বড় গাছগুলোতে বেশি মুকুল আসতে শুরু করছে। আমের মুকুল যে পরিমাণে আসছে অনেকে মনে করছে এবার আমের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার জয়ালভাঙ্গা, নয়াপাড়া, পাজরাভাঙ্গা, মৌরভী, চরপাড়া, হরিণবাড়ীয়া, বড়ভাইজোড়া, নিশানবাড়ীয়া, মোমেপাড়া, কড়াইবাড়ীয়া, ছোটবগী, সওদাগরপাড়াসহ অন্যন্য গ্রামগুলোতে মুকুলে ছেয়ে গেছে। হলুদ বর্ণের মুকুল সূর্যের সোনালী আলোয় যেন অপরূপ রঙ ছড়াচ্ছে। মুকুলের সমারোহ দেখে বাড়ির লোকজনের মনে আনন্দ বইছে। অনেকেই মুকুল রক্ষা করার জন্য কৃষি অফিসে গিয়ে কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিচ্ছে। আবার কেউ কেউ গাছের যত্নে মনোযোগী হয়ে উঠছেন। আমের মুকুল আসছে তাই এখন মৌমাছির গুঞ্জন। মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ যেন জাদুর মতো কাছে টানছে।

কয়েকজন বাগান মালিকরা জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। সপ্তাহে খানেক আগে থেকে বাগানের আম গাছে মুকুল আসা শুরু করেছে।

মুকুল আসার পর থেকে গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করছি এবং কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে বালাইনাশক স্প্রে করছি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আম গাছে রোগ হলে টিএসপি ও এমপি সার দিতে হবে দুই-তিন বছর বয়সের গাছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম, চার-পাঁচ বছর বয়সের গাছে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম, ছয়-সাত বছর বয়সের গাছে ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম, আট-নয় বছর বয়সের গাছে ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রাম এবং ১০ বছরের ঊর্ধ্বে ৮৫০ থেকে এক হাজার ২০০ গ্রাম প্রতি গাছে এ গুলো ব্যবহার করতে হবে। ফুল ফোটার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে পুষ্পমঞ্জরিতে পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানত্রাকনোজ রোগের আক্রমণ হতে পারে। তাই রিপকর্ড এবং কেবিএস জয় ব্যবহার করতে পারেন।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার এচিং জানান, এ সময় বাগানে হপার এবং ফুদকী পোকাগুলো গাছের বাকলে লুকিয়ে থাকে। এ ধরনের পোকা খুব বেশি দেখা দিলে সালফার নাশক স্প্রে করতে হবে।

আরও পড়ুন : চন্দনাইশে টমেটোর বাম্পার ফলন

উপজেলা কৃষি অফিসার মো.আরিফুর রহমান মুঠোফোনে জানান, মুকুলের যথাযথ পরিচর্যা না করলে মুকুল ঝরে পড়ে আমের ফলনে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আম গাছে ফুল আসার ১৫ দিন আগে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। ফুল ফোটার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে পারে।

ওডি/জেএস

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড