• শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২০, ১৪ চৈত্র ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভৌতিক বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা সেচ পাম্প মালিকরা

  নাজির আহমেদ আল-আমিন ভৈরব

১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১২:১৬
কিশোরগঞ্জ ভৈরব
ভৌতিক বিদ্যুৎবিল (ছবি : সংগৃহীত)

বিদ্যুৎ অফিসের গাফলতি ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে ভৌতিক বিলে দিশেহারা কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সেচ পাম্প মালিকরা। আর এই বিল পরিশোধ করতে না পারার কারণে অধিকাংশ সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি মালিকরা। ফলে ক্ষোভ বিরাজ করছে সেচ পাম্প মালিকদের মনে। এতে শত শত একর বোরো জমিতে একমাত্র ফসল আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

ভুক্তভোগী সেচ পাম্প মালিকরা জানান, বিদ্যুতের ভৌতিক বিল সংশোধনের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও শিমুলকান্দি বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করছেন।  

জানা গেছে, বছরের পর বছর ধরে শিমুলকান্দি বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিস থেকে উপজেলার আগানগর, শ্রীনগর ও শিমুলকান্দিসহ গজারিয়া এবং সাদেকপুর ইউনিয়নের প্রায় দুইশতাধিক সেচ পাম্পে মিটারবিহীন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে কৃষি জমিতে ধান চাষ ও উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু সেচ পাম্প মালিকরা বাজার থেকে মিটার কেনায় নিষেধ থাকায় এবং সরকারিভাবে মিটার সরবরাহ না করায় মিটারবিহীন বিদ্যুৎ সংযোগে চলছে এসব সেচ পাম্প। যদিও বেশ কয়েক বছর আগে সরকারিভাবে হাতে গোণা কিছু মিটার সরবরাহ করা হলেও অধিকাংশ সেচ পাম্প রয়েছে মিটারবিহীন। ফলে চুক্তি ভিত্তিক হিসেবে বা গড় বিল নামে হতো এসব পাম্পের বিদ্যুৎ বিল। প্রথম দিকে সঠিকভাবে বিল হলেও পরে কিছুটা বাড়ে। কিন্তু গেল বছর অধিকাংশ সেচ পাম্পের ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল করা হয়েছে বলে দাবি পাম্প মালিকদের।

ভুক্তভোগী সেচ পাম্প মালিকরা জানায়, কারও বিল ৫০ ভাগই বেশি আবার কারও বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ করা হয়েছে। যা দেখে অনেক সেচ পাম্প মালিকের মাথা ঘুরে যায়। পরে বিলের কপি নিয়ে শিমুলকান্দি বিদ্যুৎ অফিসে বার বার যোগাযোগ করেও বিষয়টি সমাধান হচ্ছে না। এ দিকে জমিতে আবাদের সময় হলেও সেচের অভাবে ধানের চারা রোপণ করতে পারছে না কৃষকরা।

বিদ্যুৎ বিলে অসঙ্গতির কথা স্বীকার করে শিমুলকান্দি বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন তালুকদার মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি মাত্র কয়েক দিন আগে এই অফিসে যোগদান করেছি। বিলগুলো আমার আগের কর্মকর্তা করে গেছেন। তাই আমি কিছু করতে পারছি না। তবে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন, নতুন বিলের সময় বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও তিনি আরও জানান, যাদের পাম্পে মিটার রয়েছে, তারা অবশ্য মিটার অনুযায়ী রিডিং পাবেন। 

আরও পড়ুন : বরিশালে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে মা-ছেলে নিহত

এ প্রসঙ্গে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখব বিল সংশোধনের সুযোগ আছে কি না। যদি থাকে তাহলে অবশ্য বিল সংশোধন করা হবে।

ওডি/জেএস

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড