• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পেঁয়াজ কারসাজিতে ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

  কক্সবাজার প্রতিনিধি

০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:২৩
পেঁয়াজ
মূল্যবান পেঁয়াজ (ছবি : ফাইল ফটো)

চলমান অস্থির পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে সরকারি কয়েকটি সংস্থা। চট্টগ্রাম অঞ্চলে পেঁয়াজের বাজার কারসাজিতে জড়িত এমন ১২ জন টেকনাফ স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী ও চট্টগ্রামের চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। 

সোমবার (৪ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি তালিকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যও শোনা যায়। মিয়ানমার থেকে অধিক মূল্যে পেঁয়াজ আমদানি করার ফলে বাজারে পেঁয়াজ চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে এমনটাই অভিমত পেঁয়াজ আমদানি কারকদের। 

টেকনাফ থেকে তালিকায় যাদের নাম রয়েছে- সজিব (আমদানি কারক), ম ম রাখাইন (আমদানি কারক), জহির (আমদানি কারক), সাদ্দাম (আমদানি কারক), কাদের (সিএন্ডএফ এজেন্ট), ফোরকান (বিক্রেতা), শফি (দালাল), গফুর (বিক্রেতা), মিটু (দালাল), খালেক (বিক্রেতা), টিপু (বিক্রেতা) ও মেসার্স আলীফ এন্টারপ্রাইজ। 

চট্টগ্রাম থেকে রয়েছে- মেসার্স আজমীর ভান্ডার, মেসার্স আল্লার দান স্টোর, মেসার্স সৌরভ এন্টারপ্রাইজ ও হোসেন ব্রাদার্স। 

এ দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মতে, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও কমিশন এজেন্টসহ আড়তদারদের এই চক্রটি মিয়ানমার থেকে ৪২ টাকা দরে আমদানিকৃত পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করতে বাধ্য করছে এমনই অভিযোগ উঠে এসেছে। সোমবার এদের বিরুদ্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে এই সংক্রান্ত একটি তালিকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও জানায় সূত্রটি। 

প্রশাসনের বক্তব্যের বিরোধিতা করে টেকনাফ স্থল বন্দরের জিন্নাত এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী শওকত জানান, গেল মাসে ৩০ লাখ টাকার পেঁয়াজ আমদানি করি। কিছু পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় ১৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। পেঁয়াজের দাম বাড়তি তাই এখন পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছি। 

সবুজ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন জানান, বর্তমানে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ কিনে টেকনাফ বন্দরে পৌঁছাতে কেজি প্রতি ৭৫ থেকে ৭৭ টাকা খরচ হয়। বন্দর থেকে চট্টগ্রাম পাইকারি বাজারে পৌঁছাতে কেজি প্রতি বাড়তি ৮ থেকে ৯ টাকা খরচ যোগ হয়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য ৮৫ থেকে ৮৭ টাকায় এসে দাঁড়ায়। সুতরাং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কিসের ওপর ভিত্তি করে ৪২ টাকা আমদানি মূল্য বলে বক্তব্য জানিয়েছে সেটা বোধগম্য নয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বন্দরে (দালাল) শফি, মিটু, খালেক, গফুর ও টিপু মিলে চট্টগ্রামের পাইকারদের কাছ থেকে মূলধন নিয়ে ভালো মানের পেঁয়াজ সরবরাহ করার নামে কিছু পচা পেঁয়াজ সরবরাহ করার ফলে পাইকারি বাজারে কিছুদিন আগে দামে ছন্দ পতন ঘটেছিল।

এছাড়াও সোমবার রাতে মিয়ানমারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে ফোনালাপে জানা যায়, পেঁয়াজের শেষ মৌসুমে দাম একটু বাড়তি রয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৭২ টাকা বাজার দর রয়েছে। 

ওডি/এএসএল

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড