• সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাটাগরির পাশ মার্ক ও কাট মার্ক পদ্ধতি

  ক্যারিয়ার ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৪৫
বিসিএস

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পর সকলের মাঝেই লিখিত পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা দেখা যায়। পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবে, কোন্‌ কোন্‌ বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিবে এই সব নিয়ে ভাবনার শেষ নেই। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিষয় ও পাশ মার্ক এর ভিন্নতা নিয়েও তো ভাবনা আছেই।      

বিসিএস পরীক্ষায় জেনারেল ক্যাডার, টেকনিক্যাল ক্যাডার, বোথ ক্যাডার- এই তিনটি ক্যাডার রয়েছে। আবেদনের সময়ই ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়। আপনি যদি জেনারেল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় যে সকল বিষয় হতে প্রশ্ন আসবে-

১. বাংলা ১ম পত্র – ১০০ নম্বর 
২. বাংলা ২য় পত্র – ১০০ নম্বর 
৩. ইংরেজি ১ম পত্র - ১০০ নম্বর 
৪. ইংরেজি ২য় পত্র - ১০০ নম্বর 
৫. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ম পত্র - ১০০ নম্বর 
৬. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২য় পত্র - ১০০ নম্বর 
৭. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ১০০ নম্বর 
৮. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা – ১০০(৫০+৫০) নম্বর 
৯. সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ১০০ নম্বর 

প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ ঘণ্টা এবং ২০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় ৪ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে নির্ধারিত পাশ নম্বর ৫০% হলেও আপনি যদি সব মিলিয়ে ৯০০ নম্বরের মধ্যে ৪৫০ নম্বর পান, তবেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। 

আপনি যদি টেকনিক্যাল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে বিষয়ে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। বিষয়গুলো হচ্ছে- 

১. বাংলা ১ম পত্র – ১০০ নম্বর 
২. ইংরেজি ১ম পত্র - ১০০ নম্বর 
৩. ইংরেজি ২য় পত্র - ১০০ নম্বর 
৪. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ম পত্র - ১০০ নম্বর 
৫. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২য় পত্র - ১০০ নম্বর   
৬. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ১০০ নম্বর 
৭. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা – ১০০(৫০+৫০) নম্বর 
৮. স্নাতকে পঠিত বিষয় - ২০০ নম্বর  

জেনারেল ক্যাডারের মতো টেকনিক্যাল ক্যাডারের প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় ৩ ঘণ্টা এবং ২০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় ৪ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে নির্ধারিত পাশ নম্বর ৫০% হলেও আপনি যদি সব মিলিয়ে ৯০০ নম্বরের মধ্যে ৪৫০ নম্বর পান, তবেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। 

আর যদি আপনি জেনারেল ও টেকনিক্যাল উভয় ক্যাডারে আবেদন করেন, তবে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এখানে দুই ক্যাটাগরির সকল বিষয়ই থাকবে এবং উপরোক্ত নিয়মানুসারেই পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা ও ৪ ঘণ্টা এবং পাশ মার্ক ৫০%। 

এক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর যদি ৪৫০ নম্বর পাবেন, তবে সে জেনারেল ক্যাডারে নির্বাচিত করা হবে। আর আপনি যদি উভয় ক্যাডারেই নির্বাচিত হতে চান, তাহলে আপনাকে মোট ৫৫০ নম্বর পেতে হবে। এখন কথা হচ্ছে টেকনিক্যাল ক্যাডারে স্নাতকে পঠিত বিষয় রয়েছে, সেখানে যদি আপনি পাশ না করেন তবে কি আপনি ভাইভা পরীক্ষায় অনির্বাচিত হবেন? উত্তরটি হচ্ছে না। স্নাতকে পঠিত বিষয়ে ফেল করেও যদি আপনি ৫৫০ নম্বর পান, তাহলেও আপনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভা পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করতে পারবেন। 

বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কাট মার্ক। আমরা অনেকেই কাট মার্ক কি জানি না। চলুন জেনে নেই এই সম্পর্কে। প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৩০ নম্বর এবং ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০ নম্বর করে কাট মার্ক থাকে। অনেকেই ভাবতে পারেন ৩০ নম্বরের কম পেলেই আপনি ফেল। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। আপনি যদি ৩০ নম্বরের কম পান, সেক্ষেত্রে মোট নম্বরের সাথে ঐ বিষয়ের কোনো নম্বর যোগ হবে না। মনে করুন, আপনি বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় আপনি ৭০ নম্বর পেয়েছন। তাহলে ৩০ নম্বর বাদ দিয়ে বাকি ৪০ নম্বর আপনার মোট নম্বরের সাথে যুক্ত হবে। এভাবে প্রতিটি বিষয় থেকে ৩০ নম্বর করে বাদ দিয়ে যদি আপনি মোট ৪৫০ বা ৫৫০ নম্বর পান, তবেই আপনি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন। 
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড