• বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

যেভাবে ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করবেন

২৫ মে ২০১৯, ১৫:২৪
ইউটিউব

আমরা যারা ইন্টারনেট নিয়ে সারাদিন কাটিয়ে দেই, তাদের বেশির ভাগই ইউটিউবে ভিডিও দেখে সময় কাটাই। কিন্তু এই ইউটিউব থেকে যে টাকা উপার্জন করা যায় তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। আর জানলেও কিভাবে উপার্জন করা যায়, সে ব্যাপারে একদমই জ্ঞান নেই। 

 

ইউটিউবের মাধ্যমে খুব সহজেই আয় করা সম্ভব। বিশ্বের বড় বড় ইউটিউবারদের আয় সম্পর্কে জানার পর আপনি অনেকটাই অবাক হয়ে যাবেন। এদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন Shane Dawsen, যার চ্যানেলে ভিউয়ের পরিমাণ ৪৩১ মিলিয়ন এবং আয়ের পরিমাণ ৩,১৫,০০০ ইউএস ডলার। এছাড়াও The Annoying Orange, Philip DeFranco,  Ryan Higa ও Fred এর চ্যানেলে আয়ের পরিমাণ যথাক্রমে ২,৮৮,০০ ইউএস ডলার; ১,৮১,০০ ইউএস ডলার; ১,৫১,০০ ইউএস ডলার ও ১,৪৬,০০০ ইউএস ডলার।  

 

ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট, যেখানে প্রতিদিনই লক্ষ্য লক্ষ্য ভিডিও পাবলিশ হয় সেটা তো আমাদের সবারই জানা। বিভিন্ন ভিডিও দেখার জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩০ মিলিয়নের বেশি মানুষ এই সাইটটি ভিজিট করে। চলুন এখন জেনে নেই এই বিরাট প্লাটফর্ম থেকে কিভাবে আয় করা যায়-

 

ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। যেহেতু ইউটিউব গুগলের একটি সার্ভিস, তাই শুধুমাত্র জিমেইল দিয়েই ইউটিউব অ্যাকাউন্টটি খুলতে পারবেন। যদি আপনার আগে থেকে জিমেইল অ্যাকাউন্ট না থেকে থাকে, তাহলে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।  

 

কি ভাবছেন? এখন চ্যানেল দিয়ে করবো কি এমন কিছু? চ্যানেল তৈরি করার পর চ্যানেলে অনেক কিছুর ভিডিও দিতে পারেন। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে টেকনোলজি, অ্যাপ রিভিউ, মোবাইল ফোন নিয়ে রিভিউ, খাবারের ভিডিও বা বিভিন্ন বিষয়ে টিউটোরিয়াল। আপনি যদি ভালো ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে ইউটিউবের এ্যাডসেন্স পার্টনারশিপ থেকেই একটা অফার আপনি পেতে পারেন।পার্টনার হওয়ার পর প্রতি মাসে একটা ভালো অ্যামাউন্টের টাকা আপনি পাবেন। 

 

অ্যাডসেন্স থেকে টাকা উপার্জনের সুবিধা যেমন আছে, তেমন আছে কিছু শর্ত। ইউটিউব চ্যানেল খোলার সাথে সাথে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন না। ইউটিউবের নীতিমালা অনুযায়ী আপনার চ্যানেলে সর্বনিম্ন ৪,০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম ও ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এছাড়াও চ্যানেলে সর্বনিম্ন ১০,০০০ ভিউ হলেই আপনি ইউটিউব সেটিংস থেকে মনিটরাইজেশন অপশনটি চালু করতে পারবেন।  

 

শর্ত পূরণ হওয়ার পর পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করে রিজেক্ট হলে ‍পুণরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে, তাহলে তো ইনকাম শুরু। 

 

কিন্তু এই ইনকামের ব্যাপারটি আমাদের অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়। ঠিক কতোটি ভিউ এর জন্য আমরা কতো ডলার পাবো সেটা নিয়ে একটা দ্বন্দ রয়েছে। আমরা অনেকে মনে করি আমাদের ভিডিও ভিউ এর উপর ডলার পেয়ে থাকি। যদিও ভিউ এর জন্য ডলার পাই কথাটি সত্য, তবে সেটা ভিডিও এর মাঝে আসা বিজ্ঞাপনের ভিউ।

 

যদি বিজ্ঞাপনদাতা ১০০০ ভিউয়ের জন্য ১ ডলার নির্ধারণ করেন, তাহলে আপনি ১ ডলার পাবেন। আর যদি ৫ ডলার নির্ধারণ করেন, তাহলে ৫ ডলার পাবেন। আসলে আপনি কতো ডলার ইনকাম করতে পারবেন, সেটা বিজ্ঞাপনের উপরই নির্ভর করবে।  

 

এছাড়াও আপনি যদি একটি সুন্দর বা ভালো কী-ওয়ার্ডের চ্যানেলের মালিক হন, তবে সেটা পরে বিক্রিও করে দিতে পারেন। যদিও ইউটিউব অফিসিয়ালি এটি সাপোর্ট করে না, তবুও অনেকেই আছেন যারা টার্গেটেড কিওয়ার্ডের বা সুন্দর নামের চ্যানেল ক্রয় করে থাকেন। 
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড