• শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, ১০ মাঘ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ব্যাটে ঝড়ের পর পেরেরার বল হাতে তাণ্ডব; ঢাকার জয়

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৪৬
টিম ঢাকা প্লাটুন
টিম ঢাকা প্লাটুন (ছবি : সংগৃহীত)

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ষষ্ঠ ম্যাচে প্রথম জয়ের দেখা পেল ঢাকা প্লাটুন। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে ২০ রানে হারায় মাশরাফি-তামিম-আফ্রিদি-পেরেরার দলটি। ঢাকার দেওয়া ১৮১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬০ রান তুলে থামে কুমিল্লার ইনিংস। এতে ২০ রানের প্রথম জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা ঢাকার ওপেনার তামিম ইকবালের ৭৪ রানের ঝড় আর লঙ্কান তারকা থিসারা পেরেরার ৪২ রানের তাণ্ডবে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তোলে ঢাকা। কঠিন লক্ষ্য টপকাতে সতর্ক ভাবেই শুরু করেছিল কুমিল্লা। তবে ৩২ রানেই ভাঙে তাদের ওপেনিং জুটি। ১২ বলে ২৯ করে মাশরাফির বলে সরাসরি বোল্ড হন রাজাপাকসে। দলীয় স্কোর বোর্ডে ৭ রান যুক্ত হতেই মেহেদীয় বলে সাজঘরে ফিরেন ইয়াসির আলী (৩)।

এরপর সৌম্য সরকারের ব্যাটে কুমিল্লা জয়ের স্বপ্ন দেখলেও তা বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি ওয়াহাব রিয়াজ। ২৬ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৩৫ রান করেন সৌম্য। আজও ব্যর্থ ছিলেন সাব্বির রহমান। মাত্র ৪ রান করে পেরেরার শিকার হন সাব্বির। সাব্বিরকে গ্লাভস বন্ধি করার পরের বলেই কুমিল্লা অধিনায়ক দাসুন শানাকাকেও বন্ধি করেন বিজয়। যা ছিল পেরেরা জোড়া আঘাত। আগের দিনের জয়ের নায়ক শানাকা আজ কুমিল্লার সমর্থকদের হতাশ করেন। 

দলের এমন ব্যটিং বিপর্যয়ে এক প্রন্তত থেকে লড়ে যাচ্ছিলেন ডেভিড মালান। তাকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তবে রিয়াজের বলে ৪০ রানে থামে মালানের ইনিংস। এতে কুমিল্লার পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান পর্যন্ত যায় কুমিল্লা।

শেষ মুহূর্তে কুমিল্লা শিবিরে তাণ্ডব চালান পেরেরা। তুলে নেন পাঁচটি উইকেট। নির্বাচিত হন ম্যন অব দ্য ম্যাচও। এছাড়াও ওয়াহাব রিয়াজ দুইটি, মাশরাফি ও মেহেদী নেন একটি উইকেট।

এর আগে টস জিতে ঢাকাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় কুমিল্লার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। ব্যাট করতে নেমে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলে মুজিব-উর রহমানের এলবির ফাঁদে পড়েন এনামুল হক বিজয়। বিজয়ের বিদায়ের পর মেহেদী হাসানের সঙ্গে ২৬ রানের জুটি গড়েন তামিম।

ব্যক্তিগত ১২ রানে রনির শিকার হয়ে ফিরেন মেহেদী। ওপর প্রান্তে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তামিম এবার জুটি গড়েন ইভান্সের সঙ্গে। দুইজনের জুটিতে আসে ৭৫ রান। ব্যক্তিগত ২৩ রানে ইভান্স কুমিল্লার অধিনায়কের শিকার হলেও লড়াই করে যান তামিম।

এবার লঙ্কান তারকা থিসারা পেরেরার সঙ্গে তোলেন চার ছক্কার ঝড়। তবে তামিমের সে ঝড় থামে দলীয় ১৪৯ রানে। শানাকার বলে বাউন্ডারি লাইনে সাব্বিরের হাতে ধরা পড়েন তামিম। ৫৩ বলে ৬ চার ৪ ছক্কায় খেলেন ৭৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আফ্রিদি আউট হন ৪ রান করে আর ওয়াহাব রিয়াজ শূন্য রানে। 

পাকিস্তানের এ দুই তারকা ব্যর্থ হলেও মাত্র ১৭ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন শ্রীলঙ্কার পেরেরা। তার অপরাজিত ইনিংসটি সাজান ৭ চার আর ১ ছক্কায়। শেষ বলে রান আউট হওয়ার পূর্বে ঢাকার কাপ্তান বিশাল ছক্কা মেরে খেলেন ৯ রানের ইনিংস।

কুমিল্লার পক্ষে অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও সৌম্য সরকার দুইটি করে উইকেট শিকার করেন। আবু হায়দার রনি ও মুজিব-উর রহমান করেন একটি করে।

ওডি/এসএম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড