• শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫  |   ২০ °সে
  • বেটা ভার্সন

গ্রন্থমেলার খবর

ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই এর জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি

  অধিকার ডেস্ক    ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০৭

ছবি
ছবি : ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই

অমর একুশে গ্রন্থমেলার সপ্তম দিন গতকাল (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় গ্রন্থমেলায় অনুষ্ঠিত হলো ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই এর জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ড. সৌমিত্র শেখর, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, শহীদ ইকবাল এবং তারিক মনজুর। 

অনুষ্ঠানে ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই সম্পর্কে ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, ‘মুহম্মদ আবদুল হাই বেঁচেছিলেন মাত্র পঞ্চাশ বছর। কিন্তু তাঁর জন্মের শতবর্ষেও আজ আমরা তাঁকে স্মরণ ও শরণ করছি। এ শুধু মনে রাখা অর্থে স্মরণ নয়। আশ্রয় অর্থে শরণও। অর্থাৎ দৈহিক মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও বেঁচে আছেন তিনি। এ বেঁচে থাকা দেহধারণ করে অবশ্য নয়, এ বেঁচে থাকা তাঁর কর্ম ও গুণ দিয়ে। উল্লেখ্য, মুহম্মদ আবদুল হই ফলের আশা না-করে কাজ করে গেছেন একাগ্রচিত্তে। মাত্র পঞ্চাশ বছর বয়সে তিনি যে কাজ করেছেন, তা বাংলা ও বাঙালির জন্য হয়ে উঠেছে বিশেষ অবলম্বন। ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেবার পক্ষপাতী এবং সে-বিচারে বলতে হয়, ঊষর সমকালে বিরূপ রাজনৈতিক অবস্থায় দাঁড়িয়ে মুহম্মদ আবদুল হাই বাঙালিচেতনার অন্যতম বাতিঘরের মতো কাজ করেছিলেন। সেখানে খানিকটা বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল তাঁকে অবলম্বন করতে হয়েছিল সত্য, কিন্তু তিনি যা করেছিলেন তা বাঙালির সামূহিক অগ্রবর্তিতার পক্ষে গেছে। এখানেই তাঁকে শরণ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হয়।’

সভাপতির বক্তব্যে মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, ‘মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা সাহিত্য এবং বাঙালি সংস্কৃতির নিষ্ঠ সাধকপুরুষ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণাধারায় তাঁর অবদান কখনও বিস্মৃত হবার নয়। তিনি নিজে যেমন একজন পুরোধা লেখক ছিলেন তেমনি দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা এবং সারস্বত-সাধনার মধ্য দিয়ে জ্ঞানচর্চার অসামান্য পরম্পরা সৃষ্টি করেছেন। জন্মশতবর্ষে তাঁকে নিয়ে আরও অনেক আলোচনা ও বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন।’ 
 
আলোচকবৃন্দরা আরো বলেন বলেন, ‘মুহম্মদ আবদুল হাই ছিলেন বহুমুখী মননের মানুষ। তাঁর মূল পরিচিতি ভাষাবিজ্ঞানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও তিনি সামগ্রিকভাবে বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক কারণ সাহিত্যক্ষেত্রে তার অবদান মৌলিক এবং নতুনতা- চিহ্নায়ক। ধ্বনিবিজ্ঞানের বাইরে বাংলা ভ্রমণসাহিত্যেও মুহম্মদ আবদুল হাই রেখেছেন তাৎপর্যপূর্ণ অবদান।’

আজ ৮ ফেব্রুয়ারি। অমর একুশে গ্রন্থমেলার অষ্টম দিন। আজ মেলা শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে। চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত। আজকের সকালকে গ্রন্থমেলায় ঘোষণা করা হয়েছে শিশুপ্রহর। শিশুপ্রহর শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে চলবে দুপুর একটা পর্যন্ত। এখানে থাকবে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড