• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

মানবতার প্রতীক বব মার্লে

  বিনোদন ডেস্ক

১১ মে ২০১৯, ১১:০৪
ছবি
ছবি : বিখ্যাত জ্যামাইকান রেগে শিল্পী বব মার্লে

অবহেলিত মানুষের অধিকার, বর্ণবাদী প্রথার বিরোধিতা, জনগণের নানান ক্ষোভ ও প্রত্যাশা গানের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রকাশ করে গেছেন তিনি বব মার্লে। যার কণ্ঠ গেয়ে উঠেছে ‘বাফেলো সোলজা, নো ওম্যান, নো ক্রাই, গেট আপ স্ট্যান্ড আপ, ব্ল্যাক প্রগ্রেস’-এর মতো ভুবনকাঁপানো অনেক গান। আজ এই মানুষটির প্রয়াণ দিবস। 

বব মার্লে একজন বিখ্যাত জ্যামাইকান রেগে শিল্পী। তিনি একাধারে ছিলেন গায়ক, গীটার বাদক, সুরকার ও গীতিকার। তিনি ১৯৪৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জ্যামাইকার সেইন্ট এ্যানের নাইন মাইলের একটি বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে ব্যান্ডদল গঠন করেছিলেন মার্লে। এরপর কখনো দলের হয়ে আবার কখনো এককভাবেই গানের অ্যালবাম বের করেছেন।

মার্লে ও তার ব্যান্ড ‘ওয়েলার্স’ ১৯৭৪ সালে ‘বার্নিন’ নামে যে অ্যালবামটি নিয়ে আসে তাতে ছিল বিখ্যাত গান ‘গেট আপ অ্যান্ড স্ট্যান্ড আপ’। ষাট ও সত্তরের দশকে দেশে দেশে উত্তাল জাতীয়তাবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে বিদ্রোহী মানুষের বুকে সাহস জুগিয়েছে এ গান। তার সময় জ্যামাইকায় সাম্প্রদায়িকতা আর অশান্তি ছিল। তখন রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রেই অস্থিরতা। শ্বেতাঙ্গ-কৃষ্ণাঙ্গ বিভেদের কারণে সংঘাতও ছিল নিয়মিত ঘটনা। মার্লে নিজেও ছোটবেলা থেকেই সাদা-কালো দ্বন্দ্বে ভুগতেন।

কিন্তু মার্লে সবসময়ই গেয়েছেন মানবতার পক্ষে গান। তাই তার অবস্থান ছিল কৃষ্ণাঙ্গদের পক্ষে। নিপীড়িত আর খেটে খাওয়া মানুষের কাছে তিনি ছিলেন ব্যাপক জনপ্রিয়। তার গানের মাধ্যমে রাজনৈতিক আগ্রাসনের প্রতিবাদ করেছেন। অধিকারবঞ্চিত মানুষের পক্ষ নিয়ে তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করেছেন। তিনি নিজ দেশের রাজনৈতিক সংঘাত মেটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। শান্তির জন্য তিনি জ্যামাইকায় কয়েকটি কনসার্ট করেছেন। এসব কনসার্টের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের এক মঞ্চে আনার চেষ্টা করতেন।

বব মার্লে তার পুরো ক্যারিয়ারেই রাসটাফারি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অনেক কনসার্টে গান গেয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে তার ‘বব মার্লে এন্ড দ্য ওয়েইলার্স’ অ্যালবামকে বিশ শতকের সেরা অ্যালবাম নির্বাচিত করে টাইম ম্যাগাজিন।

সুবিন্যস্ত জটাধারী চুলের এই মানুষটি ফুসফুস ও মস্তিষ্কের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৮১ সালের ১১ মে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

ওডি/এসএন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড